শনিবার, ২৯ মার্চ, ২০১৪

গনতন্ত্র আসলেই ধোঁকাতন্ত্র

গনতন্ত্র কি আসলেই ধোঁকাতন্ত্র ???
গনতন্ত্রিক পদ্ধতিতে সাধারনত কম সংখ্যক লোকেরা দেশের শাসন চালায়। যেমন ধরা যাক একটি নির্বাচনী এলাকায় তিন থেকে চার পাঁচজন প্রার্থী থাকে। তার মধ্যে একজন প্রার্থী ভোট পেল ১০ হাজার, একজন পেল ১২ হাজার, আর একজন পেল ১৪ হাজার, আর বাহিরে থাকল (১০+১২+১৪=৩৬) মোট ৩৬ হাজার ভোট।
তাহলে দেখা গেল এই ৩৬ হাজার ভোটারদের ভোট মাঠে মারা গেল, তাদের সমর্থন কোনো কাজে আসল না। এই অধিক সংখ্যক ভোটারের মত, তাদের ইচ্ছা রাষ্ট্রের কাজে কোনো প্রভাব ফেলতে পারল না। অথচ অল্প সংখ্যক ভোট পেয়ে একজন প্রার্থী নির্বাচিত হয়ে গেল প্রচলিত গনতান্ত্রিক সিস্টেমে। এভাবে অল্প সংখ্যক ভোট পেয়েও সদস্যরা পার্লামেন্টে আসে।
এরপর আরও মজার ব্যাপার হলো- পার্লামেন্টের সদস্য সংখ্যা সর্বমোট ৩০০ জন। এই ৩০০ জনের মধ্যে অন্তত ১৫১ জন যখন কাউকে সমর্থন করে তবে সে সরকার গঠন করে। এই ১৫১ জন লোকের প্রাপ্ত ভোট যদি গণনা করা হয় আর এর বাইরে যারা রয়ে গেল তাদের ভোট সংখ্যা গণনা করা হয় তাহলেও দেখা যাবে অনেক ক্ষেত্রে সরকারের বাইরে থাকা লোকদের পক্ষে বেশি সংখ্যক লোকদের সমর্থন(ভোট) রয়েছে। এখানেও দেখা যায় গণতান্ত্রিক সিস্টেমে মাইনরিটি বা কমসংখ্যক লোকেরাই শাসন ক্ষমতার মালিক হয়ে বসে।
এরপর মনে করুন একটা পার্টির মধ্যে ১৬০ জন সদস্য পার্লামেন্ট মেম্বার। এখন সেই পার্টির মধ্যে আবার বিভিন্ন নেতার সমর্থিত ব্যাক্তি হয় প্রধানমন্ত্রী। অন্য গ্রুপের মধ্যে যার লোক সংখ্যা বেশি তাদের সমর্থিত ব্যাক্তি হয় প্রধানমন্ত্রী। অন্য গ্রুপের যে মত তা সেখানে ব্যর্থ হয়ে যায়।
আবার যখন মন্ত্রী পরিষদ গঠন করা হয় তখনো ঐ ১৬০ জন সদস্য আর মন্ত্রী-মিনিস্টার হতে পারে না। অল্প কয়েকজন সদস্যই কেবল সে সুযোগ পায়। তাদের হাতেই থাকে দেশের সর্বময় ক্ষমতা। ফলে সরকারের সমর্থনেও যে বাকি সদস্যরা রইলেন তাদের মতও অনেক সময় কার্যকর হয় না। তাদের সপক্ষে যে জনগণ ভোট দিয়েছিল তাদের আশাও পূর্ন হয় না।
এভাবে যে কোনো দিক দিয়ে বিচার করলেই দেখা যাবে, গণতান্ত্রিক সিস্টেমে অল্প সংখ্যক লোকেরাই শাসনের আসল সুবিধা ভোগ করে। অর্থাৎ মাইনরিটি বা কম সংখ্যক লোক দ্বারা দেশ শাসিত হয়।

তাই বলতে হয়, গণতন্ত্র আসলে ধোঁকাতন্ত্র- একটা বাস্তব প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই নয়। এ এমন এক প্রতারনা যা দিনের উজ্জ্বল আলোতেই সবাইকে দেয়া হচ্ছে, অথচ কেউ বুঝতে পারছে না। তদুপরি গণতন্ত্রটা একটা বিরাট ধোঁকা হয় তখন, যখন একে মেজরটি লোকের শাসন বলে সাধারণ মানুষকে বোঝানো হয়।









''জাতীয়তাবাদের ওপর যে মৃত্যুবরণ করে, জাতীয়তাবাদের দিকে যে আহ্বান করে এবং জাতীয়তাবাদের জন্য যে হত্যা করে সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।''
(সুনানে আবু দাউদ)
''যে জাতীয়তাবাদ তথা আসাবিয়্যার জাহেলী আহবানের দিকে মানুষকে ডাকে সে যেন তার পিতার লজ্জাস্থান কামড়ে ধরে পড়ে আছে (তাকে ছাড়তে চাইছে না)। এরপর রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন, এবং একথাটি লুকিয়ে রেখো না অর্থাৎ বলার ক্ষেত্রে কোনো লজ্জা বা অস্বস্তিবোধ করোনা।" মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ২১২৩৬
''জাতীয়তাবাদের ওপর যে মৃত্যুবরণ করে, জাতীয়তাবাদের দিকে যে আহ্বান করে এবং জাতীয়তাবাদের জন্য যে হত্যা করে সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।''
(সুনানে আবু দাউদ)

''যে জাতীয়তাবাদ তথা আসাবিয়্যার জাহেলী আহবানের দিকে মানুষকে ডাকে সে যেন তার পিতার লজ্জাস্থান কামড়ে ধরে পড়ে আছে (তাকে ছাড়তে চাইছে না)। এরপর রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন, এবং একথাটি লুকিয়ে রেখো না অর্থাৎ বলার ক্ষেত্রে কোনো লজ্জা বা অস্বস্তিবোধ করোনা।" মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ২১২৩৬




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন