শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

গণতন্ত্র নামক কুফরী মতবাদকে না বলি...

গণতন্ত্র শিখাইছে...

তুমারে লাত্থি মারলে তুমি দিবা হরতাল।
তুমারে ফাসি দিলে তুমি দিবা হরতাল।
তুমারে নিষিদ্ধ করলেও তুমি দিবা হরতাল।

যেদিন মুনাফিকরা প্রকাশ্যে (তোমার দৃষ্টিতে) ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে হেইদিনো তুমি দিবা হরতাল।

জয় হরতালের জয়, জয় গাড়ি ভাঙ্গার জিহাদের জয়, জয় গণতন্ত্রের জয় (চুপিচুপি...প্রভু উবামার উদ্দেশ্য একটা স্মারকলিপি টাইপ কর জলদি)

 কাদের মোল্লার ফাসির রায় দেয়া হয়েছে, ফাসিও হয় নাই এখনও। তো এর জন্য গাড়িচালককে ইট মেরে হত্যা করতে হবে কেন, ওই গাড়ি চালক কি ফাসির রায় দিয়েছে? সিএনজি চালকের গায়ে আগুন দিয়ে পুড়াতে হবে কেন, ওই সিএনজি চালক কি ফাসির রায়ে সাক্ষি দিয়েছে? কি মেসেজ আছে এতে? কি মেসেজ দিতে চাও তোমরা আমাদেরকে, সরকারকে, জনগণকে?

পুলিশরে গুলি করেছ, ওইটাই ছিল একমাত্র সঠিক কাজ। এরা তাগুতকে প্রটেকশন দেয়, তাগুতের নির্দেশে এরা ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের উপর হামলা করে, হত্যা করে। এদের বিরুদ্ধে সরাসরি জিহাদের ডাক দাও, সরকারের বিরুদ্ধে জিহাদের ডাক দাও, আর বন্দীদেরকে মুক্ত করে নিয়ে আস ইসলামী অনুশাসন মোতাবেক।

আর যতদিন তোমরা ওয়েস্ট্রানদের মত জিহাদকে সন্ত্রাস মনে বলে যাবে, মুজাহিদিনদেরকে গালিগালাজ করবে, জিহাদকে অবজ্ঞা করবে, নিচু করবে, ভুল ব্যক্ষা দেবে, ততদিন তোমাদের কপালে এরকম লাঞ্চনা জুটতেই থাকবে ইনশাল্লাহ

 হটাত করে শুনলাম নারায়ে তাকবীর 'আল্লাহু আকবর' স্লোগান এবং ঠিক তারপরই বিকট শব্দে কয়েকটা ককটেলের বিস্ফোরণ। সেই সাথে শুরু হোল ভাংচুর। এরপরেই সবাই আতঙ্কিত হয়ে ছুটোছুটি শুরু করলো। তবে যে বিষয়টা খারাপ লাগছে যে এরকম একটা বিশ্রী দৃশ্যের শুরুটা হোল নারায়ে তাকবীর 'আল্লাহু আকবর' স্লোগান দিয়ে। আর এটাই শত শত মানুষ দেখলো। তারা অবশ্য এর একটা ব্যাখ্যাও পেয়ে যাবে। তারা জানবে এটা নাকি জিহাদ। আর এই জিহাদে ককটেল ফাটিয়ে সারাদিনের হরতালে ঘরে বসে থাকা একজন মুসলিম যেকিনা সন্ধ্যার পর তার কোন জরুরী দরকারে বেরিয়েছে তার গাড়ি ভাঙ্গাও জায়েজ আছে। এমনিতেই আওয়ামী, বাম, নাস্তিক, মুরতাদ, মুশরিকরা সমাজের একটা অংশকে তো বুঝিয়েই ফেলছে যে ইসলাম মানেই জ্বালাও, পোড়াও, হত্যা, খুন আর ভাংচুর। আজ অনেক মুসলমানের ছেলে মেয়েরাই বিশ্বাস করে ইসলাম নাকি তরবারির জোরে প্রচার হয়েছে। জিহাদ মানে মানুষের গলায় চাকু ধরে তাকে মুসলমান বানিয়ে ফেলা। যদিও সত্য এর থেকে বহু বহু দূরে। জিহাদ তো সেই মহান ইবাদত যা আল্লাহ্‌(সূওতা) পৃথিবী থেকে ফেতনা ফ্যাসাদ দূর করার জন্য দিয়েছেন। ইসলাম জিহাদকে বহির্বিশ্বের কাছে ইসলামের দাওাহ পৌঁছানর পথে যে বস্তুগত বাঁধা রয়েছে সেটাকে অপসারণ করার জন্য ব্যাবহার করে। তবে কাউকে জোর করে মুসলিম বানায় না। কিন্তু ইসলামী শাসনের অধীনে এসে বিভিন্ন জনপদের লোকেরা যখন ইসলামের মাধুর্য ও সৌন্দর্যকে অবলোকন করেছে তখন তারা নিজেরাই স্বেচ্ছায় দলে দলে আল্লাহ্‌র(সূওতা) দ্বীনে প্রবেশ করেছে। কারো যদি এতই জ্বালাও পোড়াও করতে ইচ্ছা হয় তাহলে তা এমনিতেই করা যেতে পারে। এর জন্য পেশী শক্তিই যথেষ্ট। শুধু শুধু জিহাদের কাভার নেয়ার দরকার কি। ইসলাম যেখানে মুসলমানদের সাচ্ছন্দের জন্য রাস্তায় পড়ে থাকা কোন কষ্টদায়ক বস্তুর অপসারণকে ঈমানের আলামত বলে ঘোষণা দিচ্ছে সেখানে সাধারণ মুসলমানদের কষ্টার্জিত পয়াসায় কেনা গাড়ি ভেঙ্গে এটা কোন ধরণের জিহাদ হচ্ছে সেটা আল্লাহ্‌ই(সূওতা) ভালো জানেন। একাত্তরে জামাত নীতিগতভাবে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো এটা সবাই জানে। কিন্তু তা কখনোই আন্দাজ অনুমানের ওপর ভিত্তি করে কেবল জামাত নেতা হওয়ার কারণেই কারো ফাঁসী বা এজাতীয় কোন রায়কে গ্রহণযোগ্যতা দেয় না। যদি এমন হয় তাহলে আমরা সেটাকে সোজা কথায় জুডিশিয়াল কিলিং বলবো। একজন মুসলিম হিসেবে আমি আমরা এর বিরোধিতা করি। কিন্তু ঠিক একইভাবে আওয়ামী সরকারের এই ফ্যাসিবাদী আচরণ সাধারণ মুসলমানদের ভোগান্তির মধ্যে ফেলাটাকেও জাস্টিফাইড করে না।

-সাইদ সাফকাত

 জামাত- শিবির কে শুধু একটা কথা বলতে চাই-

ফানটার বোতলে মদ ঢেলে খেলেই তা জায়েজ হয়ে যায় না। তা মদই থেকে যায়।

রাস্তায় সাধারন মানুষের সম্পদ নষ্ট করে কোন ইসলাম কায়েম করেন ? মানুষের মনে ভীতি ঢেলে কোন ইসলাম কায়েম করেন? ব্যালট দিয়ে ইসলাম আসে? আসে আসে!! আমেরিকান ইসলাম আসে। যা মিশরে হত্যাকান্ডের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে।

যার বা যাদের গাড়ি পোরান, ভাঙ্গেন সেগুলোর একটাও কি কিনে দিতে পারবেন?? পরিবহন ব্যবসায়ীদের মধ্যে এমন অনেক মালিক আছেন যাদের সহায় সম্বল একটা মাত্র গাড়ি। সব কিছু বেচে দিয়ে কিনেছে। ঋনের টাকায় কেনা গাড়ি। পারবেন নতুন আরেকটা কিনে দিতে?? কিংবা যাদের দোকান পাট ভাংচুর করেন পারবেন তাদের ক্ষতিপুরন দিতে??

আজকে ইসলামের কলেমা খছিত পতাকা আপনাদের হাতে দেখা যায় না কেন ?

আল লিওয়া বা আল রায়া পতাকা কোথায় আপনাদের ?

মুসলিম মুসলিম ভাই ভাই। ভাই হিসাবেই থাকেন সীসা ধালা প্রাচীর বানান, না পারলে ফুটা তৈরি করবেন না।

মজা করবেন না মুসলিম বা ইসলামের সাথে।

 পশ্চিমাদের সৃষ্ট প্রচলিত রাজনীতির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে ইসলামপন্থীরা শুধুই নির্যাতিত নিগ্রীহিত হবে যেমনটা গোটা বিশ্ব জুড়ে হচ্ছে যেমনটা বাংলাদেশে জামায়াত/হেফাজত হচ্ছে

আজ থেকে একশ বছর পুর্বেও মুসলমানরা এত মার খাইনি।বরং একশ বছর পুর্বেও মুসলমানরা বিশ্বে পরাশক্তিতেদের মোকাবেলা করার ক্ষমতা রাখত।অন্তত লড়াই করার সামর্থ ছিল।কারন তখনো মুসলমানদের হাতে ছিল তরবারি।

যেদিন থেকে মুসলমানরা তরবারি ছেড়ে দিয়ে পশ্চিমাদের দেখানো নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির পথ হাটল সেদিন থেকে মুসলমানদের নির্যাতিত হওয়ার ইতিহাসের সুচনা হল।যা আজ পর্যন্ত চলছে।

আপনি ইতিহাস পড়ুন, ঘাটুন।১৯২৪ সালের পুর্বে মুসলমানরা খালি হাতে অসহায়ভাবে আত্বসমর্পন করে লড়াই না করে মার খেয়েছে এরকম একটি ইতিহাস পারলে দেখান

না পারবেন না চ্যালেন্জ।যদিও মার খেয়ে থাকে লড়াই করে খেয়েছে শরীরে শেষ বিন্দু রক্ত থাকা পর্যন্ত যুদ্ধ করে মার খেয়েছে

তাই গোটা বিশ্বে তখনও মুসলমানরাই ছিল পরাশক্তি।আজ সারা বিশ্বে মুসলমানদের কি করুন অবস্থা আপনাকে বোধ করি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে বলে দিতে হবেনা।

এই যে আজ গোটা বিশ্বে মুসলমানরা মার খাচ্ছে এর একটি কারন মুসলমানরা তরবারি ফেলে দিয়েছে।
পশ্চিমাদের দেখানো পথ ধরেছে

আজ তরবারি হাতে নিলে জঙ্গি বলা হবে এই ভয়ে মুসলমানরা তরবারি হাতে তুলেনা।

কপাল পোড়া মুসলমানরা একবারো ভাবেনা কাফেরদের জঙ্গি বলাতে আমাদের কিছু যাই আসেনা।

আসলে মুসলমানের এসব ভাবার সময়ই বা কোথায় সে তো পশ্চিমাদেরকে রোল মডেল মেনে নিয়ে সর্বদা তাদের অনুকরণ করে চলেছে।

সর্বশেষ কথা এই যে মুসলমানদের স্বর্ণযুগ ফিরিয়ে আনতে তামাম উম্মাহের প্রয়োজন নাই।প্রয়োজন উম্মাহের খালিদ বিন ওয়ালিদ তারেক বিন জিয়াদের মত কিছু বীর পুরুষ।

মুসলমানরা কোনো কালেই সংখ্যা গরিষ্ঠ্য ছিল না।ওহদ বদর তাবুক সর্বক্ষেত্রে মুসলমানরা সংখ্যালঘু ছিল তবু মুসলমানদের ই বিজয় হয়েছে

আমাদের যেটা করতে হবে সেটা হল মুলে ফিরে যেতে হবে।দুনিয়াতে তরবারী ছাড়া ইসলাম প্রতিষ্ঠা হয়নি।তাই কোনো অবস্থাতে তরবারি ছাড়া যাবেনা।যেখন যেখানে দরকার তরবারীর যথাযথ ব্যাবহার করতে হবে।

আমার উপরুক্ত কথার সাথে আপনি দ্বিমত থাকলে মার্জিত ভাষায় কমেন্ট করুন।আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করব জবাব দিতে

 পবিত্র (!!!) রথযাত্রার জন্য জামায়াতের গণতান্ত্রিক জেহাদ স্থগিত করা হয়েছিলো ,

মাগার হজ্বযাত্রার জন্য হচ্ছেনা ।

জয় ইসলামী গণতন্ত্র ! জয় হরতাল...

অলরেডি গাড়ি পুড়ানো শুরু.... 


আমাদের ঈমান আকিদার লেভেল কত নামিয়া গিয়াছে যে কুফরের প্রদর্শিত পথ ধরিয়া ইসলাম তালাশ করিতে যাই। ইসলামিক কালচার কি তাহা না বুঝিয়া কুফরকে ইসলামাইজেশন করার চেষ্টা করিতেছি। সৌন্দর্যের প্রদর্শন কিংবা এই সংক্রান্ত প্রতিযোগিতার কনসেপ্টই একটি কুফরি, ফাসেকি কনসেপ্ট। অথচ ইহাকেই আমরা বোরকা পরাইয়া হালাল করিয়া নিয়াছি। ঠিক যেইভাবে গণতন্ত্রের আগে ইসলামী বসাইয়া ইহাকে হালাল করার চেষ্টা করা হয়।

মদের বোতলে লিখিয়া দিলাম শরাবান তহুরা, আর বলিয়া দিলাম ইহা পান অতীব পুন্যের কর্ম। জাহেলিয়াতের আর কিছুই বাকি রইল না। শুধু কষ্ট হইল, যাহারা গনতন্ত্রকে এই নিয়মে জায়েজ করিয়া নিয়াছে তাহারাই এই খবর শুনিয়া ব্যাপক খুশিতে আত্মহারা।

 কার দোষ !!
(ছোট একটা গল্প)

কাফিররা দিন রাত মুসলিমদের হত্যা করছে আর ওই হত্যার প্রতিবাদ যারা করে ওদের মোলবাদী জঙ্গি বলে লেবেল করা হয় !
মুসলিমরা যখন প্রতিবাদ করে কাফিরদের বুরুদ্ধে লড়াই করে তখন তাদের জঙ্গি বলা হয় কিন্তু মানুষ একবার ও চিন্তা করেনা, যে কেন মুসলিমরা প্রতিবাদ করছে কাফিরতো নিশ্চই মুসলিমদের উপর জুলুম করেছে তাই মুসলিমরা হাতিয়ার তুলতে বাধ্য হয়েছে এই কথাটি একবার কি তাদের মাথায় আসেনা?

এই বিষয় নিয়ে নিচের কাহানিটা একজন বীর মুজাহিদ অনার একটি ভিডিও বার্তায় বলেছিলেন (আল্লাহ যেন উনাকে শহীদ হিসেবে কবুল করেন আমীন) !

""একটি বড় জঙ্গলে শান্ত ভাবে থাকত অনেক ধরনের পশু পাখি ! ঐ পশু পাখির মধ্যে থাকত একটা শিয়াল এবং এক ভেরি তার বাচ্চাদের নিয়ে!
কিছু দিন পরে ঐ শিয়ালটি ভেরীর একটা বাচ্চা নিয়ে খেয়ে ফেলল তার পরেও ভেরি কিছু বললনা ! আরো কিছু দিন পর শিয়াল আরো একটা বাচ্চাকে ধরে নিয়ে খেয়ে ফেলল এইবার ও ভেরি কিছু বললনা কিন্তু তৃতীয় বার যখন শিয়াল আসল ঐ সময় শিয়ালকে ভেরি মাথা দিয়ে ঢুশ মেরে পা ভেঙ্গে আহত করে দিল !
ঐ সময় পুরো জঙ্গলের পশু পাখিরা এসে ভেরিকে বকা দিতে শুরু করলো আর বলল ভেরি তুমি কিভাবে একটি নিষ্পাপ শিয়ালকে মারলে ?এখন শিয়ালের বাচ্চাদের কি হবে ? তুমি শিয়ালের পা ভেঙ্গে দিলে তুমার কি একটু ও দয়া হলনা? তুমি শিয়ালের প্রতি অন্যায় করেছ !
তখন ভেরিটা বলল তুমরা কি দেখলে না যে এত দিন শিয়াল আমার বাচ্চাদের নিয়ে খাচ্ছিল ঐ সময় কুথায় ছিলে?,তুমরা শিয়ালের পা ভাঙ্গার কষ্ট দেখতে পেলে কিন্তু আমার বাচ্চা হারানুর খোস্ত দেখতে পেলেনা? তুমরা এবং তুমাদের নিয়ায়?!!

আজ ঐ ভেরীর মত মুসলিমদের ও সমান অবস্তা ..কাফিররা আমাদের মারে আর মুসলিম দেশ থেকে সব চুরি করে নিয়ে যায় আর আমরা প্রতিবাদ করলে আমাদের জঙ্গি বলা হয় ! কাফিরদের কিছু না বলে উল্টা মুসলিমদের নাম ডাকা হয় আর অপমান করা হয়, একজন কাফিরকে মারলে পুরো দুনিয়ার মিডিয়াতে দেখানো হয় কিন্তু হাজার হাজার মুসলিম হত্যা হলেও মিডিয়াতে একটা শব্দও বলা হয়না !!

 মুসলিম দেশগুলিতে কোনো ইসলামিক দল ক্ষমতায় যাওয়া এটা তাদের জন্য অবৈধ বা হারাম ! উদাহরণস্বরূপ :: জামাত ইসলাম, ইখওয়ানি তারা গণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতায় যেতে চায়, যেটা ইসলামে হারাম এবং তাদের আকিদায় ও ত্রুটি এবং তারা খারিজী!! বুঝলাম!! হিজবুত তাহরীর, আনসারউল্লাহ ওরাও খারিজী! হিজবুত তাহরীরের আকিদায় গলত! ওরা মুতাজিলা, আশারী ইত্যাদি ইত্যাদি!! ইসলামী আন্দোলন ওরা পীর পুজারী, বিদাতি ইত্যাদি ইত্যাদি! বুঝলাম!! সালাফি ওরা ও খারিজী, ওরা কুতুবী, সুরুরি ইত্যাদি ইত্যাদি! বুঝলাম!! শুধু আমরাই সৌদি মাদ্খালী সঠিক দল! আর বাকি সব জাহান্নামী!! বুঝলাম!! তাহলে সৌদি বাদে আর কোনো দেশেতো রাজতন্ত্র নেই! রাজতন্ত্রের বদলে আমরা যদি অন্য মুসলিম দেশে খিলাফাহ আনতে চাই, তাহলে কি আনতে পারবো? না না যাবেনা! ওরা সব খারিজী, সন্ত্রাসী!! বুঝলাম!! তাহলে কি আমরা ওই সব সেকুলার, মুনাফিক , মুশরিক , কুফ্ফারদের আন্ডারে থাকবো? ওরা ইসলামের অবমাননা করবে, আল্লাহকে, আল্লাহর রাসুলকে ( স:) গালি দিবে, পাখির মত গুলি করে মানুষ মারবে!! অসুবিদা নেই! আমাদের গ্রুপ সৌদি মাদ্খালী ইন্দাস্ত্রিয়াল গ্রুপে যোগ দিন!! শুধু তাওহীদের দাওয়াত দিন! যখন সব লোক তাওহিদ বুঝতে পারবে তখন অতমিতিক ইসলাম আসবে!! বুঝলাম!! খিলাফাহ আসবে না রাজতন্ত্র আসবে?? খিলাফাহ আসবে!! তাহলে সৌদিতে কি তাওহীদের দাওয়াত কমপ্লিট না আরো বাকি আছে?? না!! ওটা তাওহীদের দেশ! ওখানে কোনো শিরক বিদাত হয়না!! বুজলাম!! তাহলে রাজার বদলা এখন খিলাফাহ নাই কেন?? কারণ ওখানে ইসলাম আছে!! বুঝছি!! তোমরা আসলেই সৌদির গৃহপালিত চতুসপদ জন্তু!! যতদিন তোমাদের ওইসব ভন্ড রাজারা এবং তোমাদের ভন্ড উলামারা থাকবে ততদিন পর্যন্ত ইসলামের তেরটা বাজতে থাকবে!!

আর বেশিদিন নয়!! একটু অপেক্ষা কর!! খুব শীঘ্রই আল্লাহর আজাব তোমাদের উপর অবতীর্ণ হতে যাচ্ছে!!!

 " এক গভমেন্ট আমাকে পদচ্যুত করল , আরেক গভমেন্ট আমাকে চাকরিচ্যুত করল ।। " -- কথাগুলো মেজর জেনারেল ( অব.) ফজলুর রহমান একুশের রাত নামক আজকের টকশোতে দেয়া ।। যিনি কিনা ২০০১ বিডিআর এর মহাপরিচালক ছিলেন ।। গতবার আওয়ামীলীগ ক্ষমতা থাকাকালে বিএসএফ ২০০১ এ রৌমারি সীমান্তে হামলা করলে উপরের রাজনৈতিক নির্দেশের অপেক্ষা না করে তিনি নিজ দায়িত্বে বিডিআরকে অ্যাকশানে যেতে নির্দেশ দেন ।। ফলাফল হয় সরকারিভাবে প্রকাশিত হিসেবে ৩৪ বিএসএফ মারা যায় , পরবর্তীতে ওনার ভাষ্যমতে বাস্তবে বিএসএফ মারা যাবার সংখ্যাটা ছিল ২২৬ ।। অ্পরদিকে বিডিআরের প্রান হারান মাত্র ২ জন ।। অথচ আওয়ামি সরকার ওনাকে বিডিআর প্রধান হতে পদচ্যুত করে এবং পরবর্তীতে বিএনপি ক্ষমতায়
এসে ওনাকে চাকরিচ্যুত করে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়ে দেয় ।। এই হল হাসিনা- খালেদার আসল রূপ যারা কেবল মুদ্রার এপিঠ - ওপিঠ মাত্র ।।

" ভারত , পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মুসলিমদের বিশাল সংখ্যা এবং এর সাথে যুক্ত হওয়া পাকিস্তানে তালেবান মুজাহিদ্গনের উথান , খোদ ইণ্ডীয়ায় মুজাহিদ্গন এবং মাওবাদিদের উভয়ের উথান এবং বাংলাদেশে হেফাজত ইসলাম এর মত ইসলামিষ্টদের উথান ভারতকে আ্তংকগ্রস্থ করে তুলছে ভবিষ্যতে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা নিয়ে এবং ভারত নিজেদের এই অস্তিত্ব রক্ষার আতংকই সীমান্তে ভারতের কাটাতারের বেড়া নির্মাণের বহিঃপ্রকাশ ।।" --- এই কথাগুলোও আজকেই মেজর জেনারেল (অব )
ফজলুর রহমানেরই একুশের রাত নামক টক শোতে বলা ।।

 ভোট দেও কাফির হও !!

আপনি নিশ্চই বিশ্বাস করেন "ইসলাম একটি সম্পূর্ণ জীবন বেবস্তা" আর হয়ত আপনার এইটাও জানা আছেযে আল্লাহর দেওয়া এই জীবন বেবস্তায় আইন কানুন ও আছে, আর ইসলাম ছাড়া যত জীবন বেবস্তা আছে বা যত আইন কানুন আছে সব বাতিল ৷ কারণ আল্লাহ কোরআনে বলেছেন "আল্লাহই শুধু আইন/বিধান দেওয়ার মালিক"..(১২:৪০)

গণতন্ত্র ও একটা জীবন বেবস্তা এবং গণতন্ত্রে মানুষ আইন বানায় আর যারা আইন বানায় ওরা যেন আল্লাহর সাথে কম্পিটিশন করলো বা নিজেকে ইলাহ দাবি করলো ও শিরিক করলো আর যারা ওই বেক্তিকে ভোট দিয়ে এই শিরিক করার ক্ষমতা দিল ওরাও শিরিক করলো.....আর যারা ভোট দেয়নি কিন্তু এমপি মন্ত্রীরা যখন আইন বানায় আর আল্লাহ যা বৈধ করে দিয়েছেন তা অবৈধ করে আর আল্লাহ যা অবৈধ করে দিয়েছেনতা বৈধ করে তা ওরা মেনে নেয় হাদিস মুতাবিক ওরাও শিরিক করলো !! যেহেতু এই বিষয়টি সবার জানা নাই তাই আমি কিন্তু সবাইকে কাফির বলছিনা যারা জেনে শুনে কুফুর শিরিক করে ওদের বলছি !!

তাই ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকুন !!
আর যদি বুঝার পরেও না বুঝার ভান করেন তাহলে ভুলবেননা আল্লাহ আপনার মনের খবর জানেন !!

অনেককেই দেখলাম ভোট দেওয়ার জন্য আহবান করছেন তাই এই বিষয়ে একটা ছুট পোস্ট করলাম..
আগামীতে আমি এই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত দলিল দিয়ে লেখব ইনশাল্লাহ !!


গণতন্ত্র নামক কুফরী মতবাদকে না বলি...
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আপনা গণতন্ত্রিক নামক কুফরী মতবাদ স্বীকৃত কোন দলের গোলামী করলে যে কোন ভুল ক্ষমা পেয়ে যাবেন অতিসহজে।কিন্তু ইসলাম মেনে নিজেকে মুসলিম পরিচয় দিয়ে কোন অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে সত্য বললেও আপনার কোন রেহায় নেই।

কারণ, এখানে ঐসব শোষকদের মুখোশ উন্মোচন হয়ে যায়। যারা দিনে রাতে বিলাসিতায় নিজেদের মাতিয়ে রাখছে আমাদের টাকা দিয়ে তা থেমে যাবে।
কিন্তু কথা হল এই গণতন্ত্র কাদেরকে নিয়?
অবশ্যই আমারদেশের দাবিকৃত ৯০ ভাগ মুসলিম নেয়ে (!)
তাহলে আমরা জেনে শুনেই এইসব অন্যায়কারীদের সমর্থন করছি?
যা সম্পূর্ণ ইসলাম পরিপন্হী (!!)

স্বীকৃত কোন দলের গোলামী করলে যে কোন ভুল ক্ষমা পেয়ে যাবেন অতিসহজে।কিন্তু ইসলাম মেনে নিজেকে মুসলিম পরিচয় দিয়ে কোন অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে সত্য বললেও আপনার কোন রেহায় নেই।

আচ্ছা ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী হয়ে ইসলামের খেদমত (!), ইসলামের হেফাজত কিংবা ইসলাম রক্ষা করলে কি ধর্মনিরপেক্ষতা অক্ষুন্ন থাকে ?

"যারা কুফরির পথে চলেছে, আল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের মাল ও সন্তানাদি কোনো কাজে আসবে না। তারা দোযখের লাকড়ি হয়েই থাকবে।"
___ সূরা আলে ইমরান : ১০
খিলাফাহ এবং জিহাদের শব্দগত উচ্চারন কিংবা বর্ণগত লিখনিও কুফর শক্তি এবং এদের দোসর জালে্মদের এবং পুঁজিবাদী মিডিয়াকে আতংক লাগিয়ে দেয় ......... ।।
অতঃপর উহারা জঙ্গি জঙ্গি জঙ্গি বলিয়া আতংকে চেঁচায় ...... !!!!
অথচ একদল বোকার পাল বলে
কি হবে এগুলা বলে ...... !!
কি হবে এইপথে গিয়ে ......... !!

আসুন গণতন্ত্রকে না বলি,
ইসলামকে আকড়ে ধরি।


 এই বৃদ্ধ জামায়াত কর্মীকে বিজয়নগর থেকে আটক করে পুলিশ


Photo: এই বৃদ্ধ জামায়াত কর্মীকে বিজয়নগর থেকে আটক করে পুলিশ

আসাবিয়্যাত বা সাম্প্রদায়িকতা Nationalism

প্রসংগঃ আসাবিয়্যাত বা সাম্প্রদায়িকতা Nationalism

সংজ্ঞাঃ আসাবিয়্যাত এই যে,নিজ কওম অন্যায়ের উপর থাকা সত্ত্বেও মানুষ নিজের কওমকে সাহায্য করে।[মুসনাদে আহমাদ।]

আসাবিয়্যাতের ভয়াবহতাঃ
হযরত জুবায়ের ইবনে মুতঈম (রাঃ)হইতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)এরশাদ করিয়াছেন, যে ব্যক্তি আসাবিয়্যাতের অহমিকার [দাওয়াত] দেয় সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। আর যে ব্যক্তি আসাবিয়াতের ভিত্তির উপর [লড়াই] করে সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।আর যে আসাবিয়্যতের [জোশের] উপর মারা যায় সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।[আবু দাউদ।]

উল্লেখ্য, আপন কওমকে মহব্বত করা আসাবিয়্যাত নয়।আসাবিয়্যাত এই যে,নিজ কওম অন্যায়ের উপর থাকা সত্ত্বেও মানুষ নিজের কওমকে সাহায্য করে।[মুসনাদে আহমাদ।]

প্রাসঙ্গিক আলোচনাঃ
“স্বদেশপ্রেম ঈমানের অংগ” এটা কোন হাদিস নই। এটা হাদিস হলে ৭১’এর পাকিস্তানি সেনারা হবে পাক্কা ঈমানদার। অথচ, তারা ছিল জালেম ও আসাবিয়্যাতের উপর অধিষ্ঠিত।অতএব, অন্যায়ের উপর যদি স্বীয় রাষ্ট্রও অধিষ্ঠিত থাকে তাহলেও তাকে বর্জন করা অপরিহার্য।

আরেকটা বিষয় হচ্ছে, মুসলমানদের জন্য কোন রাষ্ট্রীয় সীমানা নেই।পুরা পৃথিবীর যেখানেই মুসলমানরা থাকুক না কেন তারা একে অন্যের ভাই।নিজেকে একটা ছোট্ট রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে বন্দি করে ফেলার মত অজ্ঞতা ও নীচু মানসিকতা, মুসলমানদের পরিহার করা উচিত কেননা এটা ইসলামের শিক্ষা নয়।

গণতন্ত্র নিয়ে উস্তাদ সাইদ কুতুব 'র দৃষ্টিভঙ্গী

গণতন্ত্র নিয়ে উস্তাদ সাইদ কুতুব(রাহীমাহুল্লাহ)'র দৃষ্টিভঙ্গী।

19 September 2013 at 20:57

যারা গনতন্ত্রকে ইসলামিক করার ব্যর্থ প্রয়াস চালায়, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ইসলাম কায়েমের স্বপ্ন দেখেন তাদের জন্যে গণতন্ত্র নিয়ে সাইদ কুতুব(রাহীমাহুল্লাহ)র চিন্তাধারাগুলো তুলে ধরে হলোঃ

“বস্তুত ইসলাম ইসলামই। সমাজতন্ত্র সমাজতন্ত্রই। গণতন্ত্র গণতন্ত্রই। ইসলাম আল্লাহর বিধান। এর আর কোন শিরোনাম নেই এবং আর কোন বিশেষণ নেই। আল্লাহ তা'লা এর যে একমাত্র শিরোনাম ও বিশেষণ নির্ধারণ করেছেন, তা হচ্ছে ইসলাম। পক্ষান্তরে সমাজতন্ত্র ও গণতন্ত্র হচ্ছে মানবরচিত ব্যবস্থা। এগুলো মানুষেরই অভিজ্ঞতা থেকে সঞ্চিত। এগুলো যখন কেউ গ্রহণ করতে চায়, তখন তার এগুলোকে মানবরচিত মতবাদ হিসেবেই গ্রহণ করা উচিৎ। যারা আল্লাহর দ্বীনের দাওয়াত ও তবলীগের মহান কাজে নিয়োজিত, তাদের উচিৎ আল্লাহর দ্বীন প্রচারে নিজেদের আল্লাহর নির্ধারিত নীতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা। প্রচলিত নিত্য পরিবর্তনশীল কোন মানবরচিত মতবাদের হাতছানি প্রলুব্ধ হয়ে তা গ্রহণ করা এবং সেটাকে 'ইসলামের খেদমত' মনে করা তাদের পক্ষে সমীচীন নয়।

যাদের কাছে ইসলাম মূল্যহীন হয়ে গেছে এবং যারা আল্লাহকে যথাযথ মর্যাদা দিতে পারেনি, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন, আজকে যখন আপনারা মানুষের কাছে ইসলামকে সমাজতন্ত্র বা গণতন্ত্রের নামে এই কারণে পেশ করেছেন যে, ওই দুটো ব্যবস্থা সমকালীন সমাজে প্রচলিত ও জনপ্রিয়, তাহলে এককালে তো পুঁজিবাদও মানুষের কাছে জনপ্রিয় ছিল। কারণ এর উসীলায় তারা জমিদারী শোষণ ত্রাসন থেকে মুক্তি পেয়েছিল। অনুরূপভাবে জাতীয়তাবাদী ঐকতান সৃষ্টি করে বিক্ষিপ্ত রাজ্যগুলোকে অখণ্ড রাষ্ট্র ব্যবস্থায় আনার জন্যে এক সময় একনায়কতন্ত্রও জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল, যেমন বিসমার্কের জার্মানিতে ও মুসোলিনীর ইতালিতে হয়েছে। এভাবে আগামীতে মানুষের জন্যে মানুষের রচিত কোন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থা কখন কোথায় জনপ্রিয় হয়ে সমাজে চালু হয়ে যাবে তা কে জানে? তাহলে আপনারা তখন ইসলাম সম্পর্কে কী বক্তব্য দেবেন? তখনও কি কোন জনপ্রিয় মতবাদের মোড়কে মানুষের কাছে ইসলাম পেশ করবেন?

কোরআন শুধু আলোচ্য অংশেই নয়; বরং অন্যান্য স্থানেও যে দিকনির্দেশনা দেয়, তা থেকে স্পষ্ট বুঝা যায়, কোরআন ইসলামের দাওয়াত ও প্রচারে নিয়োজিত সম্মানিত ভাইবোনকে অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদায় আসীন করতে চায়। সে চায়, তারা যেন ইসলামকে অন্য কোন নামে মানুষের সামনে পেশ না করে। তাদের মনে রাখা উচিৎ, আল্লাহ তা'লা কারো মুখাপেক্ষী নন। যে ব্যক্তি নিজেকে আল্লাহর গোলাম মনে করে, অথচ আল্লাহর দ্বীনকে নিজের দ্বীন হিসেবে গ্রহণ করে না, আল্লাহর এ দ্বীনের জন্যে সে ধরনের লোকের কোন প্রয়োজন নেই, যেমন প্রয়োজন নেই স্বয়ং আল্লাহর কোন অবাধ্য বান্দার।

মৌল বৈশিষ্ট্য ও উপাদানগুলোর দিক দিয়ে যখন ইসলামের নিজস্ব স্বাতন্ত্র্য ও মৌলিকত্ব রয়েছে এবং তা সমগ্র মানবজাতির মধ্যে বিস্তার লাভ করুক- এটা আল্লাহ তা'লা চান, তখন একটা কার্যকর জীবন ব্যবস্থা হিসেবেও তার স্বাতন্ত্র্য ও মৌলিকত্ব রয়েছে। মানুষের সহজাত প্রকৃতি ও মনমগজকে সম্বোধনের এবং এ দ্বীন রাজনইতিকভাবে সমাজ রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিতেও তার স্বাতন্ত্র্য ও মৌলিকত্ব রয়েছে। যিনি এ দ্বীন তার সমস্ত মৌল বৈশিষ্ট্য ও উপাদানগুলোসহ এবং তার আন্দোলনী চরিত্র ও বিধানসহ নাযিল করেছেন, তিনি হচ্ছেন স্বয়ং আল্লাহ তা'লা। মানুষের সৃষ্টিকর্তাও তিনি, আর মানুষের অন্তরে কে কী প্ররোচনা দেয়, সেটাও তিনিই জানেন। সুতরাং পরিবর্তিত বিশ্বব্যবস্থার দোহাই দিয়ে, ইসলামের নিজস্ব পদ্ধতি বাদ দিয়ে সমাজে প্রচলিত কোন ব্যবস্থার মাধ্যমে দ্বীন প্রতিষ্ঠার ব্যর্থ চেষ্টায় লাখ লাখ তাওহীদী জনতার একনিষ্ঠতা ও আত্মত্যগকে পণ্ডশ্রমে পরিণত করা সত্যিই সাধারণ মুসলিমদের সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা।

বইয়ের নামঃ ইসলামী আন্দোলনের সমস্যা ও সম্ভাবনা-সাইদ কুতুব (রাহীমাহুল্লাহ)  



সাইয়্যেদ কুতুবের উক্তিটি যে বই থেকে নেওয়া হয়েছে টা ডাউনলোড করুন এই লিঙ্ক থেকে:-

 প্রকাশকঃআল কোরআন একাডেমী লন্ডন

ডাউনলোড লিঙ্ক : http://www.mediafire.com/?rgal26vwor10aca 


নামঃযুগে যুগে ঈমানের পরীক্ষা,জালিমের পরিণতি ও আজকের প্রেক্ষাপটে আমাদের করনীয়

প্রকাশকঃকামিয়াব প্রকাশন লিমিটেড
 এ বইটিতে সংক্ষেপে কয়েকটি বিষয় তুলে ধরা হয়েছেঃঈমানের পরীক্ষা বলতে কি বুঝায়,ইমান্দারদের পরিক্ষার কারণ ও ধরণ,অতিতে নবী রাসুল ও আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের পরীক্ষার কতিপয় উদাহরণ,আসহাবে রাসুলদের উপর নির্যাতনের কতিপয় ঘটনা,অতিতে ইসলামী চিন্তাবিদদের উপর কি ধরনের নির্যাতন করা হয়েছে তার কিছু চিত্র।সর্বশেষ যুগে যুগে জালিমদের পরিণতি ও আজকের প্রেক্ষাপটে আমাদের করনীয় সম্পরকেও আলোচনা করা হয়েছে।

ডাউনলোড লিঙ্ক: http://www.mediafire.com/download/ijhfgsj43bsmhm0/Juge_Juge_imaner_porikkha_o_jalimer_porinoti%2Blink.pdf

শরীয়তী রাষ্ট্রব্যবস্থা সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভের জন্য এই বইটি অবশ্য পাঠ্য।

প্রকাশকঃআহসান পাবলিকেশন,কাঁটাবন,বাংলাবাজার,মগবাজার।

link : http://tinyurl.com/khk5l76


 
ডাউনলোড লিঙ্ক: http://www.mediafire.com/download/ijhfgsj43bsmhm0/Juge_Juge_imaner_porikkha_o_jalimer_porinoti%2Blink.pdf


 বইয়ের মুল বিষয়াবলীঃমুসলিম জাতির সৃষ্টির উদ্দেশ্য ও কর্তব্য,এ জাতির লক্ষ্য বিস্মৃতির পরিনাম,ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় মুসলিম জাতির কর্তব্য,আপনি কি করবেন,পাশ কাটানোর দর্শন,পলায়নী মনোবৃত্তি,দ্বীনের আংশিক আনুগত্যের সন্তুষ্টি,খিলাফত রাষ্ট্র সম্পর্কে কিছু ভুল ধারণার খণ্ডন,ইসলামী জীবন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কর্মনীতি সহ আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

লেখকঃমাওলানা সদরুদ্দিন ইসলাহি,ভারত।
অনুবাদঃমাওলানা হাবিবুর রাহমান
প্রকাশকঃখায়রুন প্রকাশনী

ডাউনলোড লিঙ্ক:http://www.mediafire.com/download/0mbq8rc0b9bk182/Islami_Rashtro_Protishtar_Dayitto%2BLink.pdf


 শিল্পি-সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীদের পক্ষ হতেও সরকারের কাছে আবেদন-নিবেদন পেশ হতে থাকে ।
অবশেষে ১৮৬১ সালে মাওলানার মুক্তি পরোয়ানা নিয়ে তার পুত্র আবদুল হক্ক সাহেব আন্দামানের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে গেলেন।পৌছামাত্রই একটি জানাযা দেখতে পেলেন,তার পশ্চাতে যেন সমগ্র আন্দামানবাসী শোক মিছিল করে চলছে। জিজ্ঞাসা করে জানতে পারলেন ফজলে হক্ক খায়রাবাদীর জানাযা।কাফনের কাপড়ে কয়লা দিয়ে লিখিত বইটির বাংলা অনুবাদ-আযাদী আন্দোলন ১৮৫৭।

প্রকাশকঃ মদিনা পাবলিকেশন্স।

Download Link : http://www.mediafire.com/download/7y9xoag5f6kcbn4/Azadi_Andolon_1857%2BLink.pdf

মূল পোস্ট http://tinyurl.com/kxgksqz


 কোরআন ও বিশুদ্ধ হাদীসের আলোকে

কিয়ামতের ছোট-বড় নিদর্শনসমূহ

শাইখ মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী

তাওহীদ পাব্লিকেশন
download link: http://www.mediafire.com/download/b8hp0m76r7fgm89/Keyamoter_Chuto_Boro_Nidorshon%2BLink.pdf

Main Post: http://tinyurl.com/pps577v



 বই :- জিহাদ : বিভ্রান্তি নিরসন
লেখক : মাওলানা মুহাম্মাদ ইসহাক খান
প্রকাশনায় : খান প্রকাশনী

“জিহাদ সন্ত্রাস নয়। জিহাদ উন্মাদনা নয়।জিহাদ ধ্বংসাত্মকতাও নয়। বরং জিহাদ সত্য, ন্যায় ও হক্বের সংরক্ষণ প্রক্রিয়া মাত্র। স্বতস্ফুর্ত আত্মপক্ষ সমর্থন, মিথ্যা ও বাতিলের অন্যায় আস্ফালনকে আবদমিত ও নিবৃত করার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলো জিহাদ- এ বাস্তবতাকে সুন্দর ও সাবলীল ভাবে তুলে ধরা হয়েছে বইটিতে।”

-দেশ বরেণ্য আলেমে দ্বীন, বিশিষ্ট চিন্তাবিদ, উস্তাযুল উলামা, খতীবে মিল্লাত, হযরত মাওলানা আতাউর রহমান খান সাহেব (দা. বা.) -এর বইটি সম্পর্কে দোয়া ও অভিমত

ডাউনলোড করতে ঘুরে আসুন : http://tinyurl.com/k75p2qb


 বইঃ আল কুরআনের আলোকে শিরক ও তওহীদ
 প্রকাশকঃখায়রুন প্রকাশনী

ডাউনলোড লিঙ্কঃ http://www.mediafire.com/?p5pyacvk6baqcol

শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

গণতন্ত্র নামক কুফরী মতবাদকে না বলি


আপনা গণতন্ত্রিক নামক কুফরী মতবাদ স্বীকৃত কোন দলের গোলামী করলে যে কোন ভুল ক্ষমা পেয়ে যাবেন অতিসহজে।কিন্তু ইসলাম মেনে নিজেকে মুসলিম পরিচয় দিয়ে কোন অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে সত্য বললেও আপনার কোন রেহায় নেই।

কারণ, এখানে ঐসব শোষকদের মুখোশ উন্মোচন হয়ে যায়। যারা দিনে রাতে বিলাসিতায় নিজেদের মাতিয়ে রাখছে আমাদের টাকা দিয়ে তা থেমে যাবে।
কিন্তু কথা হল এই গণতন্ত্র কাদেরকে নিয়?
অবশ্যই আমারদেশের দাবিকৃত ৯০ ভাগ মুসলিম নেয়ে (!)
তাহলে আমরা জেনে শুনেই এইসব অন্যায়কারীদের সমর্থন করছি?
যা সম্পূর্ণ ইসলাম পরিপন্হী (!!)
আসুন গণতন্ত্রকে না বলি,
ইসলামকে আকড়ে ধরি।
স্বীকৃত কোন দলের গোলামী করলে যে কোন ভুল ক্ষমা পেয়ে যাবেন অতিসহজে।কিন্তু ইসলাম মেনে নিজেকে মুসলিম পরিচয় দিয়ে কোন অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে সত্য বললেও আপনার কোন রেহায় নেই।

কারণ, এখানে ঐসব শোষকদের মুখোশ উন্মোচন হয়ে যায়। যারা দিনে রাতে বিলাসিতায় নিজেদের মাতিয়ে রাখছে আমাদের টাকা দিয়ে তা থেমে যাবে।

কিন্তু কথা হল এই গণতন্ত্র কাদেরকে নিয়?
অবশ্যই আমারদেশের দাবিকৃত ৯০ ভাগ মুসলিম নেয়ে (!)
তাহলে আমরা জেনে শুনেই এইসব অন্যায়কারীদের সমর্থন করছি?
যা সম্পূর্ণ ইসলাম পরিপন্হী (!!)

আচ্ছা ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী হয়ে ইসলামের খেদমত (!), ইসলামের হেফাজত কিংবা ইসলাম রক্ষা করলে কি ধর্মনিরপেক্ষতা অক্ষুন্ন থাকে ?

 "যারা কুফরির পথে চলেছে, আল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের মাল ও সন্তানাদি কোনো কাজে আসবে না। তারা দোযখের লাকড়ি হয়েই থাকবে।"
___ সূরা আলে ইমরান : ১০
 খিলাফাহ এবং জিহাদের শব্দগত উচ্চারন কিংবা বর্ণগত লিখনিও কুফর শক্তি এবং এদের দোসর জালে্মদের এবং পুঁজিবাদী মিডিয়াকে আতংক লাগিয়ে দেয় ......... ।।
অতঃপর উহারা জঙ্গি জঙ্গি জঙ্গি বলিয়া আতংকে চেঁচায় ...... !!!!
অথচ একদল বোকার পাল বলে
কি হবে এগুলা বলে ...... !!
কি হবে এইপথে গিয়ে ......... !!

 
আসুন গণতন্ত্রকে না বলি,
ইসলামকে আকড়ে ধরি।

যদি আপনি গনতন্ত্রের অপমৃত্যুর নিদর্শন দেখতে চান


" আমেরিকা কখনই ইমাম আনোয়ার আওলাকি (রহঃ) এর হত্যা থেকে লাভবান হবে না "

যদি আপনি গনতন্ত্রের অপমৃত্যুর নিদর্শন দেখতে চান, তাহলে আর বেশি না তাকিয়ে তা দেখে নিন এর বৈশ্বিক রপ্তানীকারক, আমেরিকার কর্মকাণ্ডে যখন তারা ইমাম আনোয়ার আওলাকির হত্যাকাণ্ড ঘটায় । একটু খেয়াল করে তাকান আমেরিকার ন্যায়ের দাবীর দিকে, তাদের কাল্পনিক স্বাধীনতা ও সুষ্ঠু বিচারের দাবীর দিকে এবং এসবের সাথে তার সাংঘর্ষিক কার্যকলাপের দিকে । তখন আপনি এটি অনুধাবন করতে পারবেন যে আমেরিকার গনতন্ত্রের দাবী একটি ভাওতাবাজী ছাড়া আর কিছুই নয় । এক দশকেরও বেশী সময় ধরে আমেরিকার ধারাবাহিক সরকারগুলো মুসলিম বিশ্বের কাছে একটি নির্দিষ্ট আহ্বান প্রচার করে আসছে । “আমেরিকান স্বাধীনতা, আমেরিকান জীবনযাপন, আমেরিকান স্বপ্ন এর অনুকরণ কর। ” এবং এটাই তোমাদের জীবনে সাফল্য দান করবে, তোমার আর্থিক অবস্থা চাঙ্গা করবে, তোমার নারী ও শিশুদের জন্য প্রাণ দিবে, আর তোমার আকাঙ্খা ও স্বপ্নকে প্রাণ দিবে ।

আল্লাহ্‌ মাস্তা’আন (সকল নালিশ শুধুমাত্র আল্লাহ্‌র কাছেই ) । কতজন লোক এসব মিথ্যা আশ্বাস দ্বারা প্রতারিত হয়েছে এবং তার ক্রমধারায় আমেরিকা প্রশাসনকে মুসলিম বিশ্বে প্রবেশের আহ্বান জানানোর জঘন্য অপরাধে জড়িয়েছে (যেমনঃ সোমালিয়া, আফগানিস্তান, ইরাক, সৌদি, কুয়েত ইত্যাদি) ? মুসলিম বিশ্বের এসব প্রতারিত ব্যাক্তি (শাসক, যাজক ও তাদের দোসর ) আমেরিকার সহযোগী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে শরীয়াহ বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিতে সহায়তা করে এবং পাশ্চাত্যের সকল প্রকার দুর্নীতি টিভি, ইন্টারনেট এবং বিভিন্ন মাধ্যমের মধ্য দিয়ে মুসলিম ভূমিতে ছড়িয়ে দিয়ে । যা তা করছে শুধুমাত্র আমেরিকার স্বপ্নকে নিয়ে বাস করার জন্য ।

সায়্যীদ ক্বুতবের মত ব্যক্তি এবং সম্প্রতি, ইমাম আনোয়ার আওলাকি যারা তথাকথিত আমেরিকান স্বপ্ন, স্বাধীনতা বাস করেছেন এবং বুঝেছেন যে এটা একটি দুঃস্বপ্ন ছাড়া আর কিছুই না । অনন্য বাগ্মিতা ও ইংরেজী ভাষায় দখলের কল্যাণে, আনোয়ার আওলাকি একজন বিশিষ্ট মুসলিম আলিমে পরিণত হোন যিনি উম্মাহকে সতর্ক করেন আমেরিকার ভণ্ডামি, বিভ্রম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে । তিনি মুসলিমদের প্রশ্ন করেন

“আর কতক্ষণ তোমরা ঘুমিয়ে থাকবে এবং স্বপ্ন দেখবে, যখন টমাহক এবং ক্রুজ মিসাইলের বজ্রধ্বনি ধ্বনিত হচ্ছে তোমাদের মাথার উপর, আর কতক্ষণ ঘুমাবে বি-৫২ বোমারুদের আওয়াজ এবং তোমাদের স্ত্রী ও শিশুদের আর্তনাদ শুনেও? আর কতক্ষণ তোমরা দেখতে চাও তোমাদের উত্তম সন্তানদের গুয়ান্তানামোতে পাঠানো হচ্ছে, যখন জালিমরা হোয়াইট হাউসে বসে শরাব পান ও ভোজন বিলাস মত্ত ? ”

এটা আমেরিকার জন্য একটা বিব্রতকর ব্যাপার ছিল, কারণ ইমাম আনোয়ার আওলাকি একজন সুশিক্ষিত আমেরিকান নাগরিক ছিলেন যিনি একাধারে ইসলাম ও ধর্মনিরপেক্ষবাদ উভয়েই পাণ্ডিত্য অর্জন করেছিলেন ও আমেরিকাতে বাস করতেন এবং সেখানেই বেড়ে উঠেছিলেন, তাই তিনি সেখানকার সংস্কৃতি বুঝতে পেরেছিলেন এবং সরকারের ভণ্ডামি ও এর বৈদেশিক ইশতেহার (যেমনঃ পররাষ্ট্র নীতি) তার ভালোভাবে জানা হয়ে গিয়েছিল, তাই যখন তিনি এগুলো বলতে শুরু করলেন, তখন মুসলিম বিশ্বের টনক নড়ল এবং এটাই ওবামা ও আমেরিকাকে রাগান্বিত করে বসল, তারা এটাকে মুসলিম বিশ্বে তাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় হুমকি ও চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখতে লাগল ।

তাই, যেকোন উপায়ে তাকে নিস্তব্ধ করতে হত, কিন্তু এর জন্য কি মুল্য দিতে হত ?
ইমাম আনোয়ার আওলাকি তার কর্মকাণ্ড ও কথায়, আমেরিকাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন একটি সহজ চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে, তোমরা বল তোমরা বাক স্বাধীনতা, মুক্তি ও ন্যায়ে বিশ্বাস কর, তাহলে আমি তোমাদের জুলুম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলব, আমি চ্যালেঞ্জ করব মুসলিম বিশ্বে তোমাদের অন্যায় হস্তক্ষেপের, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে থাকা তোমাদের পুতুলদের মুখোশ উন্মোচন করে, কিন্তু আমি জানি তোমরা কখনই স্বাধীনতার মুখোশে তোমাদের বীভৎস চেহারা লুকোতে পারবে না ।

তাই আমেরিকার জন্য দুটি উপায় ছিলঃ

• আওলাকিকে মুসলিমদের বিরুদ্ধে তাদের জুলুম এবং তাদের দ্বিমুখনীতি ফাঁস করার স্বাধীনতা দেওয়া
• তাদের স্বাধীনতার বাণী সমগ্র বিশ্বের সামনে বিসর্জন দেওয়া ।

তাই একটি বিবর্ণ অর্থনীতি, বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক স্বত্বা, দুটি মৃত্যুকূপ ( ইরাক ও আফগানিস্তান ) নিয়ে অবশেষে ওবামা গং সিদ্ধান্ত নিল যে তাদের তথাকথিত স্বাধীনতার বাণীকে পুনরায় পুরো বিশ্বের সামনে বিসর্জন দিবে । যা তারা ইতিমধ্যে করে দেখিয়েছে আবু গারিব, গুয়ান্তানামো বে, ইরাক যুদ্ধ, শায়খ উসামা বিন লাদেন (রহঃ) এর গুপ্তহত্যায় । তাই, কিভাবে আমেরিকা আল্লাহ্‌র ক্রোধ থেকে লাভবান হবে, যেখানে সবচেয়ে বড় মুনাফা হচ্ছে আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি অর্জন ? কিভাবে আমেরিকা এইরকম একজন মহান ব্যক্তির হত্যাকাণ্ড থেকে লাভবান হবে যেখানে তারা তাদের ভণ্ডামি পুরো বিশ্বের সামনে প্রকাশ করে দিয়েছে? কিভাবে আমেরিকা এই হত্যাকাণ্ড থেকে লাভবান হবে যেখানে তারা রাগান্বিত করেছে পুরো বিশ্বের ‘ মডারেট’ একইসাথে ‘চরমপন্থী’ মুসলিমদের ?

আমেরিকা কখনই ইমাম আনোয়ার আওলাকির হত্যাকাণ্ড থেকে লাভবান হতে পারবে না । এটা এজন্য যে মুসলিম উম্মাহ তাদের আলেমদের মৃত্যুতে জেগে উঠে । আমাদের দুর্গ আমাদের জ্ঞানীদের কালি এবং আমাদের শহীদদের খুলি দিয়ে তৈরি, এই দুর্গ তার সুউচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে যাবে এবং আমাদের উম্মাহ ঊষার দিগন্তে বিজয় দেখতে পাবে – সেই বিজয় যার জন্য আল্লাহ্‌ আমাদের প্রস্তুত করছেন ।

# ইসরাইলীরা ১৯৪৮ সালে বাইতুল মোকাদ্দাসের পশ্চিম অংশ এবং ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে এর পূর্ব অংশ দখল করে নেয়। এরপর ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে আমেরিকার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় ইসরাইল ফিলিস্তিনিদের উপর ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে একের পর এক ফিলিস্তিনি এলাকা দখল করে চলেছে এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইহুদীদের এনে এইখানে বসতি স্থাপন করে চলেছে । বিশ্ববাসী নীরব ! কারণ মুসলিমদের মানবাধিকার থাকতে নেই ।

# ইরাক বার বার প্রত্যাখ্যান করার পরও ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্র থাকার অভিযোগে ইরাকে হামলা চালায় আমেরিকার নেতৃত্বাধীন জোট । ইরাক ধ্বংস করে দেয় কিন্তু ইরাকে কোন বিধ্বংসী অস্ত্র তারা পায় নাই । হাজার নারী-শিশুসহ লাখ লাখ নিরীহ মানুষকে হত্যা করে আমেরিকা ব্যাপক নৃশংসতা চালিয়ে ইরাক থেকে বিপুল পরিমাণ তেল সম্পদ লুট করে । বিশ্ববাসী নীরব ! কারণ মুসলিমদের মানবাধিকার থাকতে নেই ।

# এইভাবে আফগানিস্তান......মিসরসহ বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম রাষ্ট্রে ইহুদী-খ্রিস্টান চক্র কিছু নামধারী মোনাফেক মুসলিম নেতার সহযোগিতায় মুসলিমদের নির্মম ভাবে মেরে চলেছে । বিশ্ববাসী নীরব ! কারণ মুসলিমদের মানবাধিকার থাকতে নেই।

# উগ্রপন্থি হিন্দু শিখ কত্রিক বাবরি মসজিদ ধ্বংস করে দিয়ে গুজরাটে ভারতীয় ইতিহাসে সবচেয়ে নির্মমভাবে মুসলিম নিধনের কথা কারো অজানা থাকার কথা নয় । এছাড়া আসাম-কাশ্মীরসহ ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে মুসলিমদের উপর নির্যাতন-হত্যা তো সবসময় আছেই । বিশ্ববাসী নীরব ! কারণ মুসলিমদের মানবাধিকার থাকতে নেই ।

# উগ্রপন্থি বৌদ্ধ কত্রিক মিয়ানমারে নৃশংসতার কথা আমরা সবাই জানি । 'জীবে হত্যা মহাপাপ' স্লোগানধারী এই বৌদ্ধরা হাজার হাজার মুসলিম নিধনের পাশাপাশি মুসলিম নারীদের ধর্ষণসহ নিরপরাধ শিশুকে টুকরা করতেও দ্বিধা বোধ করেনি । বিশ্ববাসী নীরব ! কারণ মুসলিমদের মানবাধিকার থাকতে নেই ।

# নাস্তিক্যবাদ ও কমিউনিজম হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে বর্বর(লেখার আকারের কারণে বিগত শতাব্দিতে বিশ্বব্যাপী তাদের নৃশংসতার চিত্র দেয়া গেল না) একটা গোষ্ঠী যারা শুধু ধর্মের নয় , সমগ্র মানবজাতির শত্রু !

নোট আকারে ছাড়া কখনো খোলাসা করা সম্ভব নয় যে , বিশ্বব্যাপী মুসলিমদের উপর উগ্রপন্থিরা কি পরিমাণ অমানবিক সন্ত্রাসবাদ চালাচ্ছে । কেউ কি জানাতে পারবেন , মুসলিমরা অন্য কোন জাতির দেশ জোরপূর্বক দখল করে নিয়ে সেখানে হত্যা-ধর্ষণ-নারী-শিশুদের নির্মমভাবে হত্যা করে ব্যাপক ধ্বংসাযজ্ঞ চালিয়েছে !! আমেরিকা কত্রিক জাপানের মত কোন রাষ্ট্রে পারমাণবিক বোমা মেরেছে !!

এই সেই আমেরিকা যারা একের পর এক মুসলিম দেশসমুহ দখল করে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে চলেছে , এইক্ষেত্রে যেসব মুসলিম শাসক তাদের দালালি করবেনা তাদের উপর মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাদের যুদ্ধের মুখোমুখি করছে। আর এই যুদ্ধে আল্লাহর পথের মুজাহিদরা যদি নিজেদের পবিত্র ভূমি রক্ষার জন্য , ইসলামের জন্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে তখন সেটাকে বলা হয় "সন্ত্রাস" । আর মুসলিমদের বিরুদ্ধে এই শব্দটা ব্যাপকহারে প্রচার করার জন্য আমেরিকা আগে থেকেই ইসলাম বিরোধী মিডিয়া প্রস্তুত রেখেছে , যে মিডিয়ায় ধোঁকায় পরছে মুসলিম উম্মাহ'র অবুঝ মুসলিমরা সহ বিশ্ব সম্প্রদায় !!!

আমেরিকা কত্রিক ৯/১১ এর নাটকের প্রমাণসহ বিস্তারিত রুপ লিখে স্ট্যাটাসকে আর বড় করব না , শুধু এক ভাইয়ের একটা স্ট্যাটাস দিয়ে ব্যাপারটার ইতি টানবো-

"৯/১১ এর জন্য দাড়িয়ে থেকে যদি এক মিনিট নিরবতা পালন করতে হয় , তাহলে যুগ যুগ ধরে বিশ্বব্যাপী মুসলিম হত্যার জন্য আজীবন দাড়িয়ে থাকা উচিত"

by  "Mir Sajjad"


সোমবার, ২৯ জুলাই, ২০১৩

ইসলাম ও গণতন্ত্র – কিছু মৌলিক পার্থক্য ?

অনেকেই বলে ইসলাম গনতন্ত্রকে সমর্থন করে ।
========================
তাহলে আসুন আল কুরআন এর দৃষ্টিতে গণতন্ত্র সম্পর্কে জেনে নেই...

রা বিশ্বে মুসলিম দেশগুলোতে কাফিরদের যুলুম নিপীড়নের মূলে রয়েছে মুনাফিক সউদী ওহাবী শাসকরা

# আল-কুরআনঃ "যাবতীয় ক্ষমতা শুধুমাত্র আল্লাহরই জন্য " [২:১৬৫]
গনতন্ত্রঃ জনগনই সকল ক্ষমতার উৎস ।
# আল-কুরআনঃ "আল্লাহ ছাড়া কারও বিধান দেবার ক্ষমতা নেই। " [১২:৪০]

গনতন্ত্রঃ আইন প্রণয়নের ক্ষমতা জনগন, সংসদ, মন্ত্রী-এমপির (মদ, পতিতালয় বৈধও হতে পারে) ।
‪#‎আল‬-কুরআনঃ আল্লাহ তাআলা সার্বভৌমত্বের মালিক। [৩:২৬]
গনতন্ত্রঃ সার্বভৌমত্বের মালিক জনগন।
# আল-কুরআনঃ "(হে নবী) আপনি যদি অধিকাংশের রায়কে মেনে নেন তাহলে তারা দ্বীন থেকে বিচ্যুত করে ছাড়বে" [৬:১১৬]
গনতন্ত্রঃ অধিকাংশের রায়ই চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
# আল-কুরআনঃ "আল্লা’হ তা’আলা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। " [২:২৭৫]
গনতন্ত্রঃ গণতন্ত্র সূদভিত্তিক অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করে।
# আল-কুরআনঃ ব্যভিচার শাস্তিযোগ্যঅপরাধ। [২৪:২]
গনতন্ত্রঃ সংসদ পতিতালয়ের (যিনা) লাইসেন্স দেয়।
# আল-কুরআনঃ সৎকর্ম ও খোদা ভীতিতে একে অন্যের সাহায্য কর। পাপ ও সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের সহায়তা করো না। (৫:২)
গনতন্ত্রঃ অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রার্থী নিজের সুনাম ও প্রতিদ্বন্দ্বীর কুৎসা রটায়।
# আল-কুরআনঃ মদ, জুয়া, লটারী নিষিদ্ধ। [৫:৯০]
গনতন্ত্রঃ মদ এর লাইসেন্স দেয়। জুয়া, লটারী বৈধ।
# আল-কুরআনঃ "হে মুমিণগণ! তোমরা ইহুদী ও খ্রীষ্টানদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ জালেমদেরকে পথ প্রদর্শন করেন না। " [৫:৫১]
গনতন্ত্রঃ কোন সমস্যা নাই। যার সাথে ইচ্ছা (আমেরিকা, ইসরাইল) বন্ধুত্ব কর।

এখন সিদ্ধান্ত আপনাদের হাতে গনতন্ত্র গ্রহন করবেন নাকি ইসলাম ... Allah knows the best

ইসলাম কখনো অন্ধ আনুগত্য সমর্থন করে না। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নবুওয়াতের দাবি করার পাশাপাশি দলিল-প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন। প্রশ্নবাণে রাসূল সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জর্জরিত করে ঈমান আনার ঘোষনা দিয়েছেন হযরত যিমাম ইবনে ছা’লাবা (বুখারী)

পড়া হলে শেয়ার করতে ভুলবেন না 

 ''...............এবং শিঘ্রই আসিবে নবুয়তের আদলে ‪#‎খিলাফত‬।'' ( মুসনাদে ইমাম আহমদ)

 # ইসলামিক গণতন্ত্র!ইসলামিক মদের বোতল!!
--------------------------------------------------
কেউ যদি মদের বোতল খুলে তিনবার সুরা ফাতিহা আর দুইবার সুরা ইখলাস পরে ফু দেয় আর বোতলের ওপর আল্লাহ্‌র নাম লিখে রাখে, বিসমিল্লাহ লিখে রাখে তাহলে কি সেটা ইসলামিক মদের বোতল হবে?
আর যদিও হয় তাহলে কি সেটা জায়েজ হবে?

ঠিক তেমনিভাবে, গণতন্ত্রের সাথে ইসলামকে দুমড়িয়ে মুচড়িয়ে মিলিয়ে আয়াতের অপব্যাখ্যা করে ইসলামিক ভাবে গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনীতি করলেই সেটা ইসলামিক গনতন্ত্র হবে??
বিসমিল্লাহ বলে শুয়োর জবাই দিলেও সেটা ইসলামিক শুয়োর হয়ে যায়না, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এমন পতিতার সাথে সঙ্গম করলেই সেটা ইসলামিক বেশ্যাবৃত্তি হয়না।

নামটা শুনলেই কেমন জানি হাঁসি পায়, ইসলামিক গণতন্ত্র! গণতন্ত্র দিয়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চাওয়া মানে হলো পেশাব দিয়ে অজু করতে চাওয়া। কারন সেটা জায়েজ নাই সেটাকে জায়েজ মনে করাটা হারাম। আর হারাম পালন করা হলো কুফরি...

গণতন্ত্র নামক কুফরির স্রস্টা হলেন আব্রাহাম লিঙ্কন। এই গণতন্ত্র দিয়ে একদল ক্ষমতালোভীরা গণতন্ত্রের সাথে ইসলামকে মিশিয়ে ভালো করে বোতল ঝাকিয়ে তৈরি করেছে ইসলামিক গণতন্ত্র। শখ করে আবার নিজেদের ইসামিক দল নামে আখ্যায়িত দিয়েছে, হরতাল মিছিল মিটিংকে এযুগের জ্বিহাদ বলে অভিহিত করেছে। গাড়ি ভাঙ্গার জ্বিহাদ, টায়ার পোড়ানোর জ্বিহাদ আর গণতন্ত্রের জন্য জ্বিহাদ করা মানে হলো তাগুদ ও শয়তানের রাস্তায় জিয়াদ করা। কারন অয়া কতিলু ফি সাবিলিল্লাহ এই বাক্য থেকে কতিলু শব্দের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত রয়েছে ফি সাবিলিল্লাহ অর্থাৎ আল্লাহর রাস্তায়। আর আল্লাহ্‌র রাস্তায় জ্বিহাদ করতে হলে আল্লাহ্‌র দেখানো পথেই কাজ করতে হবে। রাসুল সাঃ এর তরিকা অনুসারে কাজ করতে হবে।
আব্রাহামের গণতন্ত্র দিয়ে ইসলাম কায়েম করা অসম্ভব। একমাত্র জ্বিহাদ ফিসাবিলিল্লাহই পারে খিলাফত ফিরিয়ে আনতে। ইসলামিক গণতন্ত্র নাম দিয়ে হারামকে গ্রহন করা যেমন কুফরি, ঠিক তেমনি কুফরি হলো সত্য কথা নির্ভয়ে না বলাটা।
আমাদের ফেসবুকের তথাকথিত সেলিব্রেটিগন নির্ভয়ে সত্যটা বলেনা লাইক কমে যাওয়ার ভয়ে। কিন্তু যারা প্রকৃত মুসলিম, যাদের অন্তরে আল্লাহ্‌র জন্য ভয় রয়েছে তারা জানে চুপ করে থাকার সময় এখন আর নেই।






#
অনেক ভ্রাতার বলে থাকেন বর্তমান যুগে খিলাফত প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয় । কারন হিসেবে তারা বলে থাকেন বর্তমানে মুসলীমদেরা ততটা শক্তিশালী নয় । বর্তমানে খিলাফত প্রতিষ্ঠা করতে হলে নাকি বোমা বাজি করতে হবে ।

তাদেরকে বলি মহানবী (স) যখন প্রথম ইসলামের দাওয়াত দিলেন তখনকি তিনি একা ছিলেন না ? তখনি বর্তমানের থেকে মুসলীমের সংখ্যা কম ছিলনা ? আর জিহাদ নিয়ে যাদের চুলকানী তাদের বলি মহানবী (স) কি জিহাদ করেন নি ? তিনি কি জিহাদের মাধ্যমে ইসলামী রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেছিলেন না গনতান্ত্রীক ??? !


#
ইসলাম কেন গনতন্ত্রবিরোধী?

----[ব্যাথিত হৃদয়ের আরজি!! দয়া করে পুরো লেখটি পড়বেন ও শেয়ার করবেন]
আচ্ছালামু আলাইকুম, ইনশাআল্লাহ আল্লাহ আপনাদের সবাইকে ভালো রেখেছেন। দেশের বর্তমান পরিস্থিতির সাথে সামন্জস্যপূর্ণ হওয়াতে এই লেখাটি অতীব জরুরী মনে করলাম। দয়া করে সকলেই পুরোটা পড়বেন।

আমরা কমবেশী সবাই জানি যে ইসলাম গনতন্ত্র সমর্থন করেনা। অনেকে আবার রেফারেন্স দিতে পারেন না, তাদের জন্য সাহায্যকারী হবে এই নোটটি আশা করি। প্রথমেই আমরা গনতন্ত্র সম্পর্কে জানবো।
*গনতন্ত্র কী?
যে পদ্ধতিতে সকলের মত সাপেক্ষে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তাকেই গনতন্ত্র বলে।
*গনতন্ত্রের মুলনীতি কি?
গনতন্ত্রের মুলনীতি হলো জনগনই সকল ক্ষমতার উত্‍স। অর্থাত্‍ কাওকে উপযুক্ত চয়নের একমাত্র ক্ষমতা জনগনের।

*গনতন্ত্রের কার্যক্রম কী?
গনতান্ত্রিক ভোটদান পদ্ধতিতে উপস্থিত প্রাপ্তবয়স্ক যোগ্য (Qualified) সকলেই তাদের মতামত স্বাধীনভাবে প্রদান করে এবং সংখ্যাগুরুতার ভিত্তিতে নিবার্চন (Selection) করা হয়।

এবার আসুন দেখি ইসলামিক যুক্তি এ সম্পর্কে কি বলে?

১। গনতন্ত্রে প্রাপ্তবয়স্ক সবার স্বাধীন মতামতের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক মানেই বুদ্ধিমান কিংবা জ্ঞ্যানী নয়। এ কারনে নির্বাচনে জ্ঞ্যানী এবং নির্বোধ সকলেই অংশ নেয়। অথচ বিশ্বে জ্ঞ্যানীর চেয়ে নির্বোধের পরিমান অত্যাধিক বেশী। আর যেহেতু সংখ্যাগুরুতার ওপর ভিত্তি করে নিবার্চন হয়ে তাই কোন সমাজে নির্বোধ বেশী থাকায় তারা সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করে এবং ভুল ব্যক্তিকে চয়ন করে বসে।

রেফারেন্সঃ "যদি তুমি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথামত চল, তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করে দিবে।"
(সূরা আন’আম-১১৬)

তাই গনতন্ত্র নিঃসন্দেহে একটি ভুল সমাজ ব্যবস্থা।

২। গনতন্ত্রের মুলনীতি হলো জনগনই সকল ক্ষমতার মুল উত্‍স।

কিন্তু আল্লাহ বলছেন সকল ক্ষমতার মুল উত্‍স ও অধিকারী একমাত্র তিনি।

রেফারেন্স:
"কর্তৃত্বতো কেবল আল্লাহরই।"
(সূরা আন আনাম-৫)

"তুমি বলো, হে সর্বভৌম ক্ষমতার মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা প্রদান কর এবং যার নিকট থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা কেড়ে নাও। যাকে ইচ্ছা সম্মান দান কর। যাকে ইচ্ছে পদদলিত কর। সব
কিছুই তোমার হাতে। নিশ্চয় তুমি সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাবান।"
(সুরা আল ইমরান-২৬)

তাই গনতন্ত্র একটি ভুল ও শিরকি সমাজ ব্যবস্থা।

৩। গনতন্ত্রে প্রতিটি রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থায় নিজস্ব সংবিধান তৈরী করা বাধ্যতামুলক।

কিন্তু ইসলামে আল্লাহর বিধান পরিবর্তন করাটা একেবারেই হারাম হারাম এবং হারাম।

রেফারেন্সঃ
"আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন সে অনুযায়ী যারা বিধান দেয়না তারা হল কাফের।"
{সূরা মায়িদা-৪৪}

"আল্লাহ যা অবতীর্ণ
করেছেন সে অনুযায়ী যারা বিধান দেয়না তারা হল জালেম।"
{সূরা মায়িদা-৪৫}

তাই গনতন্ত্র একটি বিদাআতি সমাজ ব্যবস্থা।

৪। গনতন্ত্র হলো জুয়া কেননা এটি অনিশ্চিত ব্যবস্থা এবং কে জয়ী হবে এবং পরাজয় হবে তা কেউ জানেনা। এটি ভাগ্যের ব্যাপার তাই গনতন্ত্র হলো ভাগ্যপরীক্ষার মতোই।

আর জুয়া কিংবা ভাগ্যপরীক্ষা ইসলামে হারাম।

রেফারেন্স:
"হে মুমিনগণ, এই যে মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য-নির্ধারক শরসমূহ এসব শয়তানের অপবিত্র কার্য বৈধ নয়। অতএব,
এগুলো থেকে বেঁচে থাকো যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও।"
(সুরা মায়িদাহ-৯০)

"তারা তোমাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে তবে বলে দাও, এতদুভয়ের মধ্যে রয়েছে মহাপাপ। আর মানুষের জন্যে উপকারিতাও রয়েছে, তবে এগুলোর পাপ উপকারিতা অপেক্ষা অনেক বড়। আর তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে, কি তারা ব্যয় করবে? বলে দাও, নিজেদের প্রয়োজনীয় ব্যয়ের পর যা বাঁচে তাই খরচ করবে। এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্যে নির্দেশ সুস্পষ্টরূপে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা চিন্তা করতে পারো।
(সুরা আল বাকারা-২২৯)

তাই গনতন্ত্র হারাম এবং সম্পূর্ণ ইসলাম পরিপন্থী।

প্রমানিত করা হলো যে ইসলাম গনতন্ত্রবিরোধী। এবার গনতন্ত্র কয়েকটি প্রশ্নের জবাব দিবো।

* রাসুলে পাক সাঃ খলিফা নির্বাচনে কোন পথ অবলম্বন করতেন?

উত্তর: রাসুলে কারীম সাঃ খলিফা নির্বাচনে জ্ঞ্যানী ও বুদ্ধিমান সাহাবীদের চয়ন করতেন এবং তাঁদের সমন্বয়ে কয়েক সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি দল তৈরী করেছিলেন যারা সবকিছু বিচার বিশ্লেষন করে খলিফা নির্বাচন করতেন। যেহেতু সেখানে বুদ্ধিমান লোকদের দ্বারা সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হতো তাই নিবার্চন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হতো।

* ইসলামে কোন তন্ত্রে বিশ্বাসী?

উত্তর: যে তন্ত্রে শিরকি কিংবা কারচুপি নেই সে তন্ত্র। আর একমাত্র খিলাফতই সঠিক ব্যবস্থা কেননা এতে সংখ্যাগুরু নির্বোধদের প্রয়োজন হয়না, জনগন ক্ষমতার উত্‍স হয়না, এতে কোন শিরকের সুযোগ নেই এবং এটি জুয়া বা অনিশ্চিত না। বাদশাহ বা খলিফা যদি অত্যাচারি হয়ে থাকে তবে প্রজাদের প্রতিবাদ করাও ফরজ আঈন।

* খিলাফত কি কি?

উত্তর: রাজতন্ত্র খিলাফতের একটি রুপ যেখানে খলিফারুপে বাদশাহ থাকবে। অর্থাত্‍ এক নায়কতন্ত্র... তবে অবশ্যই সত্‍ ও যোগ্য প্রার্থী নিবার্চনে সমাজের বুদ্ধিমান ব্যক্তিদেরই থাকতে হবে।

তাই গনতন্ত্র কখনই ইসলাম সমর্থিত নয়, আর গনতন্ত্রের পক্ষ নিয়ে এখানে বিতর্ক করতে এলে কুরআনের আয়াত অস্বীকার করতে হবে, যা একজন মুসলিম কখনই করবেনা। আশা করি সকলেই বুঝতে পেরেছেন, আল্লাহ আমাদের সেই তৌফিক দান করুন আমিন।


#
মাওলানা আব্দুর রহীম (রঃ) সাহেব তার “গণতন্ত্র নয় পুরাঙ্গ বিপ্লব” বইয়ে লিখছেন,

১। যারা গণতন্ত্র দিয়ে ইসলাম কায়েম করতে চায় তারা ইসলামও বুঝেনা, গণতন্ত্রও বুঝেনা।

২। যারা গণতন্ত্র দিয়ে ইসলাম কায়েম করার কথা বলে নিজেদের কাজকে “জিহাদ ফী সাবিল্লাহ” বলে চালানোর চেষ্টা করছে তারা প্রকৃত পক্ষে তাগুতের পথে জিহাদ করছে।
আবারও বলছি এগুলো আমার কথা না, আব্দুর রহীম সাহেবের কথা। বিশ্বাস না হলে “গণতন্ত্র নয় পূর্ণাঙ্গ বিপ্লব” বইটা পড়ে দেখুন


 মাওলানা আব্দুর রহীম। পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতে ইসালামীর প্রতিষ্ঠাতা আমীর। বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলনের প্রাণ পুরুষ, বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলামী চিন্তাবিদ। ইসলামের উপর অসংখ্য মহা মূল্যবান বই লিখেছেন। তবে তিনি বিখ্যাত হয়ে আছেন তার শেষ জীবনে লিখা অসাধারণ কয়েকটি বইয়ের জন্যে। বইগুলো লিখছিলেন গণতন্ত্র, পুঁজিবাদ ইত্যাদির বিরোধিতা করে এবং সত্যিকার নির্ভেজাল (গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদবিহীন) ইসলামী বিপ্লব, ইসলামী রাষ্ট্র তথা খিলাফাহ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষ নিয়ে। বইগুলো ৮০র দশকে লেখা হলেও এখনো সময়োপযোগী। আপনারা বইগুলো পড়ে দেখেন। ইনশা আল্লাহ্‌ প্রকৃত সত্য জানতে পারবেন। বইগুলোর লিঙ্কঃ

১। গণতন্ত্র নয় পূর্ণাঙ্গ বিপ্লব-http://www.mediafire.com/?wk919ci6acp5wcx
২। প্রচলিত রাজনীতি নয় জিহাদই কাম্য-http://www.mediafire.com/?0dnrhtnzvab5ifc
৩। বাংলাদেশের মুসলমানরা মজলুম ও মাহরুম- http://www.mediafire.com/?bixl22911gwax3l
৪। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও শুরায়ী নিজাম-http://www.mediafire.com/?dr6sbkautvmv64g
৫। ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য-http://www.mediafire.com/?j4b6bgtz5ab5noz

বিঃ দ্রঃ-জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্র শিবির তাঁদের সিলিবাসে মাওলানা আব্দুর রহীমের প্রায় সব বই পড়ায় কিন্তু এই পাঁচটা বই এখন আর তাঁদের সিলিবাসে পড়ানো হয় না। বইগুলো এখন সহজে বাজারেও পাওয়া যায় না। বইগুলোর কথাবার্তা বর্তমান জামায়াতে ইসলামীর কর্মকাণ্ডের সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী হওয়ায় সম্ভবত এখন আর ছাপানো হয় না। আল্লাহু আ’লাম।
জামায়াত শিবির ভাইদের বলবো উন্মুক্ত মন নিয়ে বইগুলো পড়তে বসুন। তাহলে বুঝতে পারবেন এতদিন কি ভুলের মাঝে আছেন আর আপনাদের নেতারা আপনাদেরকে কি সত্য থেকে বঞ্চিত করছে।





# ''ভিক্ষা চাই না ওহে দেশমাতা, সামলাও তব ‪#‎গণতান্ত্রিক‬ ‪#‎কুত্তা‬''
--------------------------------------------------------------

খুব পরিচিত একটি উক্তি, ''যদি কাহারো আঙ্গুল কাটিবার দুঃখ ভুলাইয়া দিতে চাও, তবে তাহার মস্তক ফাটাইয়া দাও।'' গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় এই উক্তিটির বাস্তব প্রয়োগ বহুবার দেখা যায়। রাষ্ট্রীয় সম্পদের একমাত্র মালিক রাষ্ট্রের জনগণ এবং শাসক হইল ঐ সম্পদের তত্ত্বাবধায়ক, ইহাই সকল শাসনব্যবস্থার সারকথা হইলেও গনতন্ত্রে কিছু অন্যরকম দেখা যায়। এইখানে শাসকগন রাষ্ট্রের মালিক বনিয়া যায় আর জনগণকে তাহাদের আশ্রিত হিসাবেই দেখে।

কিছু সময় পরপর ভোট দান করার সময়ে কিছু অধিকারের নমুনা দেখা গেলেও, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জনগণের ভোট শাসক নির্বাচনে মুখ্য ভুমিকা রাখেনা। পরাশক্তি নামক সাম্রাজ্যবাদী প্রভুগণের হস্তেই যে শাসক নিয়োগের চাবিকাঠি ইহা এখন অনেকটা স্পষ্ট প্রতিভাত হইতেছে। এমনকি যদি ভোট সুষ্ঠুও হয় তবু ইহা মূলত আগামী ৫ বছর কে জনগণের সম্পদ নিজের মনে করিয়া ভোগ করিবে এবং বিনিময়ে জনগণকে কিছু অংশ ভিক্ষা স্বরূপ প্রদান করিবে তাহা নির্বাচন করা হয়। এইখানেও মজার কাহিনী হইল জনগণের সম্পদ পরাশক্তিসমূহের নিকট বিকাইয়া দিয়া কোন সরকার কত পরিমাণ অর্থ তাহাদের নিকট হইতে ভিক্ষা আনিয়াছে ইহার উপর তাহাদের সাফল্য নির্ণয় করা হয়। অনেকটা এইরকম যে তোমার জমির ধান আমি কাটিয়া দিব। বিনিময়ে তোমাকে শতকরা ৫ভাগ দিব আর বাকিটা কাস্তে ভাড়া হিসাবে লইয়া যাইব এবং ওইখান হইতে কিছু তোমার নিকট আমার নির্ধারিত মুল্যে বিক্রয় করিব, অতঃপর দয়া পরবশ হইয়া কিঞ্চিৎ ভিক্ষা দিব। আবার ঐ ভিক্ষার অর্থের সিংহভাগ দিয়া রাষ্ট্রের মূল শক্তিসমুহের ধারকদিগকে কিনিয়া রাখা হয়, যাহাতে পরাশক্তিসমূহের বিরুদ্ধে কেহ আঙ্গুল তুলিতে না পারে। সাম্প্রতিক সময়ে মিশরের জেনারেল সিসি কিংবা এইদেশে জেনারেল মইনসহ আরও অনেকের কথা বলা যায়। যাহারাই এই ভিক্ষা নিয়া দালালী করিতে অস্বীকার করিবে, তাহাদিগকে পাকিস্তানের ব্রিগেডিয়ার আলী খানের মত জেল জুলুমের শিকার হইতে হইবে। এইভাবে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের শাসক/ শাসিত প্রত্যেকেই ভিক্ষাবৃত্তি চর্চা করিয়া থাকে।

গণতান্ত্রিক দলসমুহ ক্ষমতা গ্রহনের পূর্বে নানা উন্নয়ন করিবে এই শর্ত দিয়া ইশতেহার নামক কল্পকাহিনী ছাপিয়া থাকে। ক্ষমতায় আসিয়া প্রথম বক্তব্য দেয় এই যে, সবে তো আমাদিগের হানিমুন পিরিয়ড চলিতেছে তাই সময় দিন। তাহা ছাড়া গত সরকার দেশের উপর এমন অত্যাচার করিয়াছে যে ইহার শরীরের ঘা শুকাইতে কিছু সময় তো লাগিবেই। জনগণের অবস্থা তখন ঐ দ্বিতীয় স্বামী গ্রহণ করা মহিলাটির মত যাহার পূর্বের স্বামী মাতাল হইয়া প্রহার করিত, তাই বর্তমান ধূর্ত স্বামীপ্রবরকে সমস্ত অলঙ্কার সঁপিয়া দেয় যেন কিছু একটা করিয়া অতঃপর সুখে শান্তিতে বসবাস করিতে পারে। তাই তো মধুচন্দ্রিমায় গুনগুন গীত গাহিয়া স্বপ্নের নকশী কাঁথা বুনিয়া সময় কাটায়।

আহা!!!!!!! গরিবের সুন্দরী বউ থাকিলে যাহা হয় আরকি। এই স্বামীও যে তাহার বস/ প্রভুর মনোরঞ্জন করিবার শর্ত দিয়া বিবাহ করিয়াছে ইহা কি আর এই অসহায় জানে? তাই তো শর্ত মোতাবেক সকল দেশের রাণী, ভিনদেশী রাজার রংমহলে হাত বদল হইতে থাকে। জনগণের স্বপ্নের ঘোর কাটিতে থাকে।

ইহার ভিতর বহুদিনের উপবাসী থাকিবার পর ক্ষমতা পাইয়া দলীয় কুত্তাসমুহ খাবারের গন্ধে চিৎকার করিতে থাকে। তাই তাহাদের সন্তুষ্ট করিতে জনগণের জন্য রাখা ভিক্ষাটুকুও বিলাইয়া দিতে হয়। অসহায় জনগণ যখন একটুখানি ভিক্ষা পাইবার আশায় আবেদন করিতে যায় তখনই ঐ কুত্তাবাহিনী লেলাইয়া দিয়া তাহাদের দমন করা হয়।

এইবার আসি আমার প্রথম উক্তিটাতে। ঐ কুত্তা বাহিনীর আক্রমণে যখন আঙ্গুল কাটিয়া কিংবা দেহের অংশ আহত হয় তখন বিচার লইয়া আবার ঐ সরকারের নিকট যায়। সরকার এই বিষয় সামাল দিতে গিয়া এবং দলীয় সংহতি রক্ষা করিতে গিয়া নিজ উদ্যেগে আরেকটা অপকর্ম ঘটায়। এইভাবে পিলখানা ভুলে তাজরিনে, তাজরিন ভুলে ওভার ব্রিজে, শেয়ার মার্কেট ভুলাইয়া দেয় হলমার্ক। ইহা ছাড়া ছোট বড় মিলাইয়া বাকি গুলার কথা বলাই বাহুল্য। এই ফাঁকে প্রভুদিগের শর্ত মোতাবেক ট্রানজিট, টিকফা, রামপাল আগাইয়া যায় পূর্ণ গতিতে। ইসলাম বিরোধী বক্তব্য দিয়া সরকারের পালিত শিল্পমনাগন জনগণকে ঐদিকে ব্যস্ত রাখিয়া দেয়। আবার প্রতিবাদ করিতে গেলে গনহত্যা চালায়। জনগণ কুত্তা সামলাইতে এমন ব্যস্ত হইয়া পরে যে শুধুমাত্র কুত্তা ঠেকাইবার শর্তে আবারও পূর্ব স্বামীর দ্বারস্থ হয়। এইভাবে গণতান্ত্রিক ক্ষমতার পালাবদল হয়। আবার একই কাহিনীর পুনরাবৃত্তি ঘটে। চেহারা বদল হয় কিন্তু শয়তানী ‪#‎গণতন্ত্র‬ থাকিয়া যায়। ক্ষমতার রজ্জু শয়তানের হস্তে রহিয়া যায়।

এইবার আসি ক্ষমতা পরিবর্তন তথা জুলুমতন্ত্র পরিবর্তনের রাসুল(সাঃ) প্রদর্শিত পদ্ধতিতে। ইসলাম পূর্ব মক্কায় এইভাবে ক্ষমতা শয়তানী তন্ত্রের হস্তে ছিল আর শয়তানের পূজারীগণ বিভিন্ন সৌধ আর মিনারের চেতনার এর মত লাত, মানাত, উজ্জা আর হুবালের শপথ করিয়া তৎকালীন মক্কার পার্লামেন্ট দারুন নদওয়াতে আইন তৈরি করিত। আবার যেই কোন সমস্যায় পারস্য এবং রোম নামক পরাশক্তির দ্বারস্থ হইত। ঠিক ঐ অবস্থায় রাসুল(সাঃ) ঐ শাসকগোষ্ঠীকে কেবল একটা সমাধান দিয়াছেন, তাহা হইল শাসন ব্যবস্থা পরিবর্তন করিয়া আল্লাহ প্রদত্ত আইনের বাস্তবায়ন। কোনরূপ চেহারা বদল নয়। এমনকি রাসুল(সাঃ) নিজেও ঐ ক্ষমতার শীর্ষ পদে যাইবার প্রস্তাব পাইয়াছিলেন। কিন্তু ব্যবস্থা পরিবর্তন ব্যতিত উনি ক্ষমতা নিতে রাজি হন নাই, এমনকি কৌশল হিসাবেও। উনার(সাঃ) উক্তি ছিল, ''আমার এক হস্তে চন্দ্র এবং অপর হস্তে সূর্য আনিয়া দিলেও আমি তোমাদিগের প্রস্তাব মানিব না। হয় আমার এই দ্বীন তোমাদিগের উপর বিজয়ী হইবে, অথবা আমি ধ্বংস হইয়া যাইব।'' অবশেষে সকল পরাশক্তির বিরুদ্ধে যাইয়া পরিপূর্ণ বিপ্লবের মাধ্যমে প্রথম ইসলামী ‪#‎রাষ্ট্র‬ মদিনার আত্মপ্রকাশ ঘটে। অথচ আমরা বারবার সরকার নামক চেহারা বদল করিতেছি পরিবর্তনের আশায়। একই কর্ম বারবার করিয়া ভিন্ন ভিন্ন ফলাফল আশা করিতেছি। কিন্তু আল্লাহর রাসুল(সাঃ) বলিয়া গেছেন, ''মুমিন কখনও একই গর্তে দুইবার পা দেয় না।''

তাই আমরা যতক্ষণ আমাদের প্রতিপালক আল্লাহ ও তাঁহার রাসুলের(সাঃ) প্রদর্শিত পথে না আসিব, ততক্ষন কেবল কুত্তা সামলাইতে ব্যস্ত থাকিব। সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মাহর আসন হইতে নামিয়া গোমরাহির অতলে হারাইয়া যাইব। আল্লাহ আমাদিগকে সঠিক জ্ঞান দান করুন।



 #ইসলামের দাওয়াতের সাথে সম্পৃক্ত যে কোন বইয়ে দাওয়াতের মৌলিক নিয়মাবলী নিয়ে আলোচনা থাকা উচিত। এগুলো নিম্নরূপ:

১. খিলাফতের জন্য কাজ করা এখন ফরযে আইন (প্রত্যেক ব্যক্তির উপর ফরয)। এর জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ ও কর্মতৎপরতা সৃষ্টি করা একান্ত কর্তব্য।

২. একাজটি দলগতভাবে হতে হবে এবং ব্যক্তিগতভাবে করবার কোন সুযোগ নেই।

৩. এই দলের একজন আমীর থাকবেন যিনি শরীয়া প্রদত্ত ক্ষমতায় বলীয়ান - যার আওতার মধ্যে তাকে মান্য করা হবে।

৪. এই দলে পুরুষ ও নারী উভয়ই থাকবে, কেননা দাওয়াত বহন করার ব্যাপারে উভয়ই দায়িত্বশীল।

৫. এই দলের সদস্যদের বন্ধনের ভিত্তি হবে ইসলামী আক্বীদা ও চিন্তা।

৬. দলটিকে তার কর্মকান্ডের জন্য অবশ্যই ইসলামী চিন্তা, নিয়ম কানুন ও মতামতকে গ্রহণ করবে এবং তাদের আনুগত্য থাকবে আদর্শের প্রতি, কোন ব্যক্তিবিশেষের প্রতি নয়।

৭. দলটি অবশ্যই রাজনৈতিক হবে, কারণ এর কাজ হল রাজনৈতিক - যা খিলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য ক্ষমতায় যাবে।

৮. দলটির কাজ হবে বুদ্ধিবৃত্তিক; সহিংস (Violent) কোন কর্মকান্ডের সাথে এর সম্পৃক্ততা থাকবে না। কারণ ইসলামের ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে জনমত তৈরি করে জনগনের সহায়তায় ক্ষমতায় আসাই এ দলের কাজ।

৯. বর্তমান কুফর শাসনব্যবস্থার সাথে কোনরকম ক্ষমতার অংশীদার হওয়া এ দলের জন্য নিষিদ্ধ।

১০. বর্তমান কুফর শাসনব্যবস্থার উপর যে কোন ধরনের নির্ভরশীলতা এ দলের জন্য নিষিদ্ধ। কুফর ব্যবস্থা থেকে কোন ধরনের অর্থনৈতিক সাহায্য বা নির্ভরশীলতা অবশ্যই বর্জনীয়।


#
http://islamikhelafah.blogspot.com/2013/07/blog-post_5.html