গণতন্ত্র শিখাইছে...
তুমারে লাত্থি মারলে তুমি দিবা হরতাল।
তুমারে ফাসি দিলে তুমি দিবা হরতাল।
তুমারে নিষিদ্ধ করলেও তুমি দিবা হরতাল।
যেদিন মুনাফিকরা প্রকাশ্যে (তোমার দৃষ্টিতে) ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে হেইদিনো তুমি দিবা হরতাল।
জয় হরতালের জয়, জয় গাড়ি ভাঙ্গার জিহাদের জয়, জয় গণতন্ত্রের জয় (চুপিচুপি...প্রভু উবামার উদ্দেশ্য একটা স্মারকলিপি টাইপ কর জলদি)
তুমারে লাত্থি মারলে তুমি দিবা হরতাল।
তুমারে ফাসি দিলে তুমি দিবা হরতাল।
তুমারে নিষিদ্ধ করলেও তুমি দিবা হরতাল।
যেদিন মুনাফিকরা প্রকাশ্যে (তোমার দৃষ্টিতে) ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে হেইদিনো তুমি দিবা হরতাল।
জয় হরতালের জয়, জয় গাড়ি ভাঙ্গার জিহাদের জয়, জয় গণতন্ত্রের জয় (চুপিচুপি...প্রভু উবামার উদ্দেশ্য একটা স্মারকলিপি টাইপ কর জলদি)
কাদের মোল্লার ফাসির রায়
দেয়া হয়েছে, ফাসিও হয় নাই এখনও। তো এর জন্য গাড়িচালককে ইট মেরে হত্যা করতে
হবে কেন, ওই গাড়ি চালক কি ফাসির রায় দিয়েছে? সিএনজি চালকের গায়ে আগুন দিয়ে
পুড়াতে হবে কেন, ওই সিএনজি চালক কি ফাসির রায়ে সাক্ষি দিয়েছে? কি মেসেজ আছে
এতে? কি মেসেজ দিতে চাও তোমরা আমাদেরকে, সরকারকে, জনগণকে?
পুলিশরে গুলি করেছ, ওইটাই ছিল একমাত্র সঠিক কাজ। এরা তাগুতকে প্রটেকশন দেয়, তাগুতের নির্দেশে এরা ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের উপর হামলা করে, হত্যা করে। এদের বিরুদ্ধে সরাসরি জিহাদের ডাক দাও, সরকারের বিরুদ্ধে জিহাদের ডাক দাও, আর বন্দীদেরকে মুক্ত করে নিয়ে আস ইসলামী অনুশাসন মোতাবেক।
আর যতদিন তোমরা ওয়েস্ট্রানদের মত জিহাদকে সন্ত্রাস মনে বলে যাবে, মুজাহিদিনদেরকে গালিগালাজ করবে, জিহাদকে অবজ্ঞা করবে, নিচু করবে, ভুল ব্যক্ষা দেবে, ততদিন তোমাদের কপালে এরকম লাঞ্চনা জুটতেই থাকবে ইনশাল্লাহ
পুলিশরে গুলি করেছ, ওইটাই ছিল একমাত্র সঠিক কাজ। এরা তাগুতকে প্রটেকশন দেয়, তাগুতের নির্দেশে এরা ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের উপর হামলা করে, হত্যা করে। এদের বিরুদ্ধে সরাসরি জিহাদের ডাক দাও, সরকারের বিরুদ্ধে জিহাদের ডাক দাও, আর বন্দীদেরকে মুক্ত করে নিয়ে আস ইসলামী অনুশাসন মোতাবেক।
আর যতদিন তোমরা ওয়েস্ট্রানদের মত জিহাদকে সন্ত্রাস মনে বলে যাবে, মুজাহিদিনদেরকে গালিগালাজ করবে, জিহাদকে অবজ্ঞা করবে, নিচু করবে, ভুল ব্যক্ষা দেবে, ততদিন তোমাদের কপালে এরকম লাঞ্চনা জুটতেই থাকবে ইনশাল্লাহ
হটাত করে শুনলাম নারায়ে
তাকবীর 'আল্লাহু আকবর' স্লোগান এবং ঠিক তারপরই বিকট শব্দে কয়েকটা ককটেলের
বিস্ফোরণ। সেই সাথে শুরু হোল ভাংচুর। এরপরেই সবাই আতঙ্কিত হয়ে ছুটোছুটি
শুরু করলো। তবে যে বিষয়টা খারাপ লাগছে যে এরকম একটা বিশ্রী দৃশ্যের শুরুটা
হোল নারায়ে তাকবীর 'আল্লাহু আকবর' স্লোগান দিয়ে। আর এটাই শত শত মানুষ
দেখলো। তারা অবশ্য এর একটা ব্যাখ্যাও পেয়ে যাবে। তারা জানবে এটা নাকি
জিহাদ। আর এই জিহাদে ককটেল ফাটিয়ে
সারাদিনের হরতালে ঘরে বসে থাকা একজন মুসলিম যেকিনা সন্ধ্যার পর তার কোন
জরুরী দরকারে বেরিয়েছে তার গাড়ি ভাঙ্গাও জায়েজ আছে। এমনিতেই আওয়ামী, বাম,
নাস্তিক, মুরতাদ, মুশরিকরা সমাজের একটা অংশকে তো বুঝিয়েই ফেলছে যে ইসলাম
মানেই জ্বালাও, পোড়াও, হত্যা, খুন আর ভাংচুর। আজ অনেক মুসলমানের ছেলে
মেয়েরাই বিশ্বাস করে ইসলাম নাকি তরবারির জোরে প্রচার হয়েছে। জিহাদ মানে
মানুষের গলায় চাকু ধরে তাকে মুসলমান বানিয়ে ফেলা। যদিও সত্য এর থেকে বহু
বহু দূরে। জিহাদ তো সেই মহান ইবাদত যা আল্লাহ্(সূওতা) পৃথিবী থেকে ফেতনা
ফ্যাসাদ দূর করার জন্য দিয়েছেন। ইসলাম জিহাদকে বহির্বিশ্বের কাছে ইসলামের
দাওাহ পৌঁছানর পথে যে বস্তুগত বাঁধা রয়েছে সেটাকে অপসারণ করার জন্য
ব্যাবহার করে। তবে কাউকে জোর করে মুসলিম বানায় না। কিন্তু ইসলামী শাসনের
অধীনে এসে বিভিন্ন জনপদের লোকেরা যখন ইসলামের মাধুর্য ও সৌন্দর্যকে অবলোকন
করেছে তখন তারা নিজেরাই স্বেচ্ছায় দলে দলে আল্লাহ্র(সূওতা) দ্বীনে প্রবেশ
করেছে। কারো যদি এতই জ্বালাও পোড়াও করতে ইচ্ছা হয় তাহলে তা এমনিতেই করা
যেতে পারে। এর জন্য পেশী শক্তিই যথেষ্ট। শুধু শুধু জিহাদের কাভার নেয়ার
দরকার কি। ইসলাম যেখানে মুসলমানদের সাচ্ছন্দের জন্য রাস্তায় পড়ে থাকা কোন
কষ্টদায়ক বস্তুর অপসারণকে ঈমানের আলামত বলে ঘোষণা দিচ্ছে সেখানে সাধারণ
মুসলমানদের কষ্টার্জিত পয়াসায় কেনা গাড়ি ভেঙ্গে এটা কোন ধরণের জিহাদ হচ্ছে
সেটা আল্লাহ্ই(সূওতা) ভালো জানেন। একাত্তরে জামাত নীতিগতভাবে
মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো এটা সবাই জানে। কিন্তু তা কখনোই আন্দাজ
অনুমানের ওপর ভিত্তি করে কেবল জামাত নেতা হওয়ার কারণেই কারো ফাঁসী বা
এজাতীয় কোন রায়কে গ্রহণযোগ্যতা দেয় না। যদি এমন হয় তাহলে আমরা সেটাকে সোজা
কথায় জুডিশিয়াল কিলিং বলবো। একজন মুসলিম হিসেবে আমি আমরা এর বিরোধিতা করি।
কিন্তু ঠিক একইভাবে আওয়ামী সরকারের এই ফ্যাসিবাদী আচরণ সাধারণ মুসলমানদের
ভোগান্তির মধ্যে ফেলাটাকেও জাস্টিফাইড করে না।
-সাইদ সাফকাত
-সাইদ সাফকাত
জামাত- শিবির কে শুধু একটা কথা বলতে চাই-
ফানটার বোতলে মদ ঢেলে খেলেই তা জায়েজ হয়ে যায় না। তা মদই থেকে যায়।
রাস্তায় সাধারন মানুষের সম্পদ নষ্ট করে কোন ইসলাম কায়েম করেন ? মানুষের মনে ভীতি ঢেলে কোন ইসলাম কায়েম করেন? ব্যালট দিয়ে ইসলাম আসে? আসে আসে!! আমেরিকান ইসলাম আসে। যা মিশরে হত্যাকান্ডের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে।
যার বা যাদের গাড়ি পোরান, ভাঙ্গেন সেগুলোর একটাও কি কিনে দিতে পারবেন?? পরিবহন ব্যবসায়ীদের মধ্যে এমন অনেক মালিক আছেন যাদের সহায় সম্বল একটা মাত্র গাড়ি। সব কিছু বেচে দিয়ে কিনেছে। ঋনের টাকায় কেনা গাড়ি। পারবেন নতুন আরেকটা কিনে দিতে?? কিংবা যাদের দোকান পাট ভাংচুর করেন পারবেন তাদের ক্ষতিপুরন দিতে??
আজকে ইসলামের কলেমা খছিত পতাকা আপনাদের হাতে দেখা যায় না কেন ?
আল লিওয়া বা আল রায়া পতাকা কোথায় আপনাদের ?
মুসলিম মুসলিম ভাই ভাই। ভাই হিসাবেই থাকেন সীসা ধালা প্রাচীর বানান, না পারলে ফুটা তৈরি করবেন না।
মজা করবেন না মুসলিম বা ইসলামের সাথে।
ফানটার বোতলে মদ ঢেলে খেলেই তা জায়েজ হয়ে যায় না। তা মদই থেকে যায়।
রাস্তায় সাধারন মানুষের সম্পদ নষ্ট করে কোন ইসলাম কায়েম করেন ? মানুষের মনে ভীতি ঢেলে কোন ইসলাম কায়েম করেন? ব্যালট দিয়ে ইসলাম আসে? আসে আসে!! আমেরিকান ইসলাম আসে। যা মিশরে হত্যাকান্ডের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে।
যার বা যাদের গাড়ি পোরান, ভাঙ্গেন সেগুলোর একটাও কি কিনে দিতে পারবেন?? পরিবহন ব্যবসায়ীদের মধ্যে এমন অনেক মালিক আছেন যাদের সহায় সম্বল একটা মাত্র গাড়ি। সব কিছু বেচে দিয়ে কিনেছে। ঋনের টাকায় কেনা গাড়ি। পারবেন নতুন আরেকটা কিনে দিতে?? কিংবা যাদের দোকান পাট ভাংচুর করেন পারবেন তাদের ক্ষতিপুরন দিতে??
আজকে ইসলামের কলেমা খছিত পতাকা আপনাদের হাতে দেখা যায় না কেন ?
আল লিওয়া বা আল রায়া পতাকা কোথায় আপনাদের ?
মুসলিম মুসলিম ভাই ভাই। ভাই হিসাবেই থাকেন সীসা ধালা প্রাচীর বানান, না পারলে ফুটা তৈরি করবেন না।
মজা করবেন না মুসলিম বা ইসলামের সাথে।
পশ্চিমাদের সৃষ্ট প্রচলিত
রাজনীতির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে ইসলামপন্থীরা শুধুই নির্যাতিত
নিগ্রীহিত হবে যেমনটা গোটা বিশ্ব জুড়ে হচ্ছে যেমনটা বাংলাদেশে
জামায়াত/হেফাজত হচ্ছে
আজ থেকে একশ বছর পুর্বেও মুসলমানরা এত মার খাইনি।বরং একশ বছর পুর্বেও মুসলমানরা বিশ্বে পরাশক্তিতেদের মোকাবেলা করার ক্ষমতা রাখত।অন্তত লড়াই করার সামর্থ ছিল।কারন তখনো মুসলমানদের হাতে ছিল তরবারি।
যেদিন থেকে মুসলমানরা তরবারি ছেড়ে দিয়ে পশ্চিমাদের দেখানো নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির পথ হাটল সেদিন থেকে মুসলমানদের নির্যাতিত হওয়ার ইতিহাসের সুচনা হল।যা আজ পর্যন্ত চলছে।
আপনি ইতিহাস পড়ুন, ঘাটুন।১৯২৪ সালের পুর্বে মুসলমানরা খালি হাতে অসহায়ভাবে আত্বসমর্পন করে লড়াই না করে মার খেয়েছে এরকম একটি ইতিহাস পারলে দেখান
না পারবেন না চ্যালেন্জ।যদিও মার খেয়ে থাকে লড়াই করে খেয়েছে শরীরে শেষ বিন্দু রক্ত থাকা পর্যন্ত যুদ্ধ করে মার খেয়েছে
তাই গোটা বিশ্বে তখনও মুসলমানরাই ছিল পরাশক্তি।আজ সারা বিশ্বে মুসলমানদের কি করুন অবস্থা আপনাকে বোধ করি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে বলে দিতে হবেনা।
এই যে আজ গোটা বিশ্বে মুসলমানরা মার খাচ্ছে এর একটি কারন মুসলমানরা তরবারি ফেলে দিয়েছে।
পশ্চিমাদের দেখানো পথ ধরেছে
আজ তরবারি হাতে নিলে জঙ্গি বলা হবে এই ভয়ে মুসলমানরা তরবারি হাতে তুলেনা।
কপাল পোড়া মুসলমানরা একবারো ভাবেনা কাফেরদের জঙ্গি বলাতে আমাদের কিছু যাই আসেনা।
আসলে মুসলমানের এসব ভাবার সময়ই বা কোথায় সে তো পশ্চিমাদেরকে রোল মডেল মেনে নিয়ে সর্বদা তাদের অনুকরণ করে চলেছে।
সর্বশেষ কথা এই যে মুসলমানদের স্বর্ণযুগ ফিরিয়ে আনতে তামাম উম্মাহের প্রয়োজন নাই।প্রয়োজন উম্মাহের খালিদ বিন ওয়ালিদ তারেক বিন জিয়াদের মত কিছু বীর পুরুষ।
মুসলমানরা কোনো কালেই সংখ্যা গরিষ্ঠ্য ছিল না।ওহদ বদর তাবুক সর্বক্ষেত্রে মুসলমানরা সংখ্যালঘু ছিল তবু মুসলমানদের ই বিজয় হয়েছে
আমাদের যেটা করতে হবে সেটা হল মুলে ফিরে যেতে হবে।দুনিয়াতে তরবারী ছাড়া ইসলাম প্রতিষ্ঠা হয়নি।তাই কোনো অবস্থাতে তরবারি ছাড়া যাবেনা।যেখন যেখানে দরকার তরবারীর যথাযথ ব্যাবহার করতে হবে।
আমার উপরুক্ত কথার সাথে আপনি দ্বিমত থাকলে মার্জিত ভাষায় কমেন্ট করুন।আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করব জবাব দিতে
আজ থেকে একশ বছর পুর্বেও মুসলমানরা এত মার খাইনি।বরং একশ বছর পুর্বেও মুসলমানরা বিশ্বে পরাশক্তিতেদের মোকাবেলা করার ক্ষমতা রাখত।অন্তত লড়াই করার সামর্থ ছিল।কারন তখনো মুসলমানদের হাতে ছিল তরবারি।
যেদিন থেকে মুসলমানরা তরবারি ছেড়ে দিয়ে পশ্চিমাদের দেখানো নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির পথ হাটল সেদিন থেকে মুসলমানদের নির্যাতিত হওয়ার ইতিহাসের সুচনা হল।যা আজ পর্যন্ত চলছে।
আপনি ইতিহাস পড়ুন, ঘাটুন।১৯২৪ সালের পুর্বে মুসলমানরা খালি হাতে অসহায়ভাবে আত্বসমর্পন করে লড়াই না করে মার খেয়েছে এরকম একটি ইতিহাস পারলে দেখান
না পারবেন না চ্যালেন্জ।যদিও মার খেয়ে থাকে লড়াই করে খেয়েছে শরীরে শেষ বিন্দু রক্ত থাকা পর্যন্ত যুদ্ধ করে মার খেয়েছে
তাই গোটা বিশ্বে তখনও মুসলমানরাই ছিল পরাশক্তি।আজ সারা বিশ্বে মুসলমানদের কি করুন অবস্থা আপনাকে বোধ করি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে বলে দিতে হবেনা।
এই যে আজ গোটা বিশ্বে মুসলমানরা মার খাচ্ছে এর একটি কারন মুসলমানরা তরবারি ফেলে দিয়েছে।
পশ্চিমাদের দেখানো পথ ধরেছে
আজ তরবারি হাতে নিলে জঙ্গি বলা হবে এই ভয়ে মুসলমানরা তরবারি হাতে তুলেনা।
কপাল পোড়া মুসলমানরা একবারো ভাবেনা কাফেরদের জঙ্গি বলাতে আমাদের কিছু যাই আসেনা।
আসলে মুসলমানের এসব ভাবার সময়ই বা কোথায় সে তো পশ্চিমাদেরকে রোল মডেল মেনে নিয়ে সর্বদা তাদের অনুকরণ করে চলেছে।
সর্বশেষ কথা এই যে মুসলমানদের স্বর্ণযুগ ফিরিয়ে আনতে তামাম উম্মাহের প্রয়োজন নাই।প্রয়োজন উম্মাহের খালিদ বিন ওয়ালিদ তারেক বিন জিয়াদের মত কিছু বীর পুরুষ।
মুসলমানরা কোনো কালেই সংখ্যা গরিষ্ঠ্য ছিল না।ওহদ বদর তাবুক সর্বক্ষেত্রে মুসলমানরা সংখ্যালঘু ছিল তবু মুসলমানদের ই বিজয় হয়েছে
আমাদের যেটা করতে হবে সেটা হল মুলে ফিরে যেতে হবে।দুনিয়াতে তরবারী ছাড়া ইসলাম প্রতিষ্ঠা হয়নি।তাই কোনো অবস্থাতে তরবারি ছাড়া যাবেনা।যেখন যেখানে দরকার তরবারীর যথাযথ ব্যাবহার করতে হবে।
আমার উপরুক্ত কথার সাথে আপনি দ্বিমত থাকলে মার্জিত ভাষায় কমেন্ট করুন।আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করব জবাব দিতে
পবিত্র (!!!) রথযাত্রার জন্য জামায়াতের গণতান্ত্রিক জেহাদ স্থগিত করা হয়েছিলো ,
মাগার হজ্বযাত্রার জন্য হচ্ছেনা ।
জয় ইসলামী গণতন্ত্র ! জয় হরতাল...
অলরেডি গাড়ি পুড়ানো শুরু....
মাগার হজ্বযাত্রার জন্য হচ্ছেনা ।
জয় ইসলামী গণতন্ত্র ! জয় হরতাল...
অলরেডি গাড়ি পুড়ানো শুরু....
আমাদের ঈমান আকিদার লেভেল কত নামিয়া গিয়াছে যে কুফরের প্রদর্শিত পথ ধরিয়া ইসলাম তালাশ করিতে যাই। ইসলামিক কালচার কি তাহা না বুঝিয়া কুফরকে ইসলামাইজেশন করার চেষ্টা করিতেছি। সৌন্দর্যের প্রদর্শন কিংবা এই সংক্রান্ত প্রতিযোগিতার কনসেপ্টই একটি কুফরি, ফাসেকি কনসেপ্ট। অথচ ইহাকেই আমরা বোরকা পরাইয়া হালাল করিয়া নিয়াছি। ঠিক যেইভাবে গণতন্ত্রের আগে ইসলামী বসাইয়া ইহাকে হালাল করার চেষ্টা করা হয়।
মদের বোতলে লিখিয়া দিলাম শরাবান তহুরা, আর বলিয়া দিলাম ইহা পান অতীব পুন্যের কর্ম। জাহেলিয়াতের আর কিছুই বাকি রইল না। শুধু কষ্ট হইল, যাহারা গনতন্ত্রকে এই নিয়মে জায়েজ করিয়া নিয়াছে তাহারাই এই খবর শুনিয়া ব্যাপক খুশিতে আত্মহারা।
কার দোষ !!
(ছোট একটা গল্প)
কাফিররা দিন রাত মুসলিমদের হত্যা করছে আর ওই হত্যার প্রতিবাদ যারা করে ওদের মোলবাদী জঙ্গি বলে লেবেল করা হয় !
মুসলিমরা যখন প্রতিবাদ করে কাফিরদের বুরুদ্ধে লড়াই করে তখন তাদের জঙ্গি বলা হয় কিন্তু মানুষ একবার ও চিন্তা করেনা, যে কেন মুসলিমরা প্রতিবাদ করছে কাফিরতো নিশ্চই মুসলিমদের উপর জুলুম করেছে তাই মুসলিমরা হাতিয়ার তুলতে বাধ্য হয়েছে এই কথাটি একবার কি তাদের মাথায় আসেনা?
এই বিষয় নিয়ে নিচের কাহানিটা একজন বীর মুজাহিদ অনার একটি ভিডিও বার্তায় বলেছিলেন (আল্লাহ যেন উনাকে শহীদ হিসেবে কবুল করেন আমীন) !
""একটি বড় জঙ্গলে শান্ত ভাবে থাকত অনেক ধরনের পশু পাখি ! ঐ পশু পাখির মধ্যে থাকত একটা শিয়াল এবং এক ভেরি তার বাচ্চাদের নিয়ে!
কিছু দিন পরে ঐ শিয়ালটি ভেরীর একটা বাচ্চা নিয়ে খেয়ে ফেলল তার পরেও ভেরি কিছু বললনা ! আরো কিছু দিন পর শিয়াল আরো একটা বাচ্চাকে ধরে নিয়ে খেয়ে ফেলল এইবার ও ভেরি কিছু বললনা কিন্তু তৃতীয় বার যখন শিয়াল আসল ঐ সময় শিয়ালকে ভেরি মাথা দিয়ে ঢুশ মেরে পা ভেঙ্গে আহত করে দিল !
ঐ সময় পুরো জঙ্গলের পশু পাখিরা এসে ভেরিকে বকা দিতে শুরু করলো আর বলল ভেরি তুমি কিভাবে একটি নিষ্পাপ শিয়ালকে মারলে ?এখন শিয়ালের বাচ্চাদের কি হবে ? তুমি শিয়ালের পা ভেঙ্গে দিলে তুমার কি একটু ও দয়া হলনা? তুমি শিয়ালের প্রতি অন্যায় করেছ !
তখন ভেরিটা বলল তুমরা কি দেখলে না যে এত দিন শিয়াল আমার বাচ্চাদের নিয়ে খাচ্ছিল ঐ সময় কুথায় ছিলে?,তুমরা শিয়ালের পা ভাঙ্গার কষ্ট দেখতে পেলে কিন্তু আমার বাচ্চা হারানুর খোস্ত দেখতে পেলেনা? তুমরা এবং তুমাদের নিয়ায়?!!
আজ ঐ ভেরীর মত মুসলিমদের ও সমান অবস্তা ..কাফিররা আমাদের মারে আর মুসলিম দেশ থেকে সব চুরি করে নিয়ে যায় আর আমরা প্রতিবাদ করলে আমাদের জঙ্গি বলা হয় ! কাফিরদের কিছু না বলে উল্টা মুসলিমদের নাম ডাকা হয় আর অপমান করা হয়, একজন কাফিরকে মারলে পুরো দুনিয়ার মিডিয়াতে দেখানো হয় কিন্তু হাজার হাজার মুসলিম হত্যা হলেও মিডিয়াতে একটা শব্দও বলা হয়না !!
(ছোট একটা গল্প)
কাফিররা দিন রাত মুসলিমদের হত্যা করছে আর ওই হত্যার প্রতিবাদ যারা করে ওদের মোলবাদী জঙ্গি বলে লেবেল করা হয় !
মুসলিমরা যখন প্রতিবাদ করে কাফিরদের বুরুদ্ধে লড়াই করে তখন তাদের জঙ্গি বলা হয় কিন্তু মানুষ একবার ও চিন্তা করেনা, যে কেন মুসলিমরা প্রতিবাদ করছে কাফিরতো নিশ্চই মুসলিমদের উপর জুলুম করেছে তাই মুসলিমরা হাতিয়ার তুলতে বাধ্য হয়েছে এই কথাটি একবার কি তাদের মাথায় আসেনা?
এই বিষয় নিয়ে নিচের কাহানিটা একজন বীর মুজাহিদ অনার একটি ভিডিও বার্তায় বলেছিলেন (আল্লাহ যেন উনাকে শহীদ হিসেবে কবুল করেন আমীন) !
""একটি বড় জঙ্গলে শান্ত ভাবে থাকত অনেক ধরনের পশু পাখি ! ঐ পশু পাখির মধ্যে থাকত একটা শিয়াল এবং এক ভেরি তার বাচ্চাদের নিয়ে!
কিছু দিন পরে ঐ শিয়ালটি ভেরীর একটা বাচ্চা নিয়ে খেয়ে ফেলল তার পরেও ভেরি কিছু বললনা ! আরো কিছু দিন পর শিয়াল আরো একটা বাচ্চাকে ধরে নিয়ে খেয়ে ফেলল এইবার ও ভেরি কিছু বললনা কিন্তু তৃতীয় বার যখন শিয়াল আসল ঐ সময় শিয়ালকে ভেরি মাথা দিয়ে ঢুশ মেরে পা ভেঙ্গে আহত করে দিল !
ঐ সময় পুরো জঙ্গলের পশু পাখিরা এসে ভেরিকে বকা দিতে শুরু করলো আর বলল ভেরি তুমি কিভাবে একটি নিষ্পাপ শিয়ালকে মারলে ?এখন শিয়ালের বাচ্চাদের কি হবে ? তুমি শিয়ালের পা ভেঙ্গে দিলে তুমার কি একটু ও দয়া হলনা? তুমি শিয়ালের প্রতি অন্যায় করেছ !
তখন ভেরিটা বলল তুমরা কি দেখলে না যে এত দিন শিয়াল আমার বাচ্চাদের নিয়ে খাচ্ছিল ঐ সময় কুথায় ছিলে?,তুমরা শিয়ালের পা ভাঙ্গার কষ্ট দেখতে পেলে কিন্তু আমার বাচ্চা হারানুর খোস্ত দেখতে পেলেনা? তুমরা এবং তুমাদের নিয়ায়?!!
আজ ঐ ভেরীর মত মুসলিমদের ও সমান অবস্তা ..কাফিররা আমাদের মারে আর মুসলিম দেশ থেকে সব চুরি করে নিয়ে যায় আর আমরা প্রতিবাদ করলে আমাদের জঙ্গি বলা হয় ! কাফিরদের কিছু না বলে উল্টা মুসলিমদের নাম ডাকা হয় আর অপমান করা হয়, একজন কাফিরকে মারলে পুরো দুনিয়ার মিডিয়াতে দেখানো হয় কিন্তু হাজার হাজার মুসলিম হত্যা হলেও মিডিয়াতে একটা শব্দও বলা হয়না !!
মুসলিম দেশগুলিতে কোনো
ইসলামিক দল ক্ষমতায় যাওয়া এটা তাদের জন্য অবৈধ বা হারাম ! উদাহরণস্বরূপ ::
জামাত ইসলাম, ইখওয়ানি তারা গণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতায় যেতে চায়, যেটা
ইসলামে হারাম এবং তাদের আকিদায় ও ত্রুটি এবং তারা খারিজী!! বুঝলাম!! হিজবুত
তাহরীর, আনসারউল্লাহ ওরাও খারিজী! হিজবুত তাহরীরের আকিদায় গলত! ওরা
মুতাজিলা, আশারী ইত্যাদি ইত্যাদি!! ইসলামী আন্দোলন ওরা পীর পুজারী, বিদাতি
ইত্যাদি ইত্যাদি! বুঝলাম!! সালাফি ওরা ও
খারিজী, ওরা কুতুবী, সুরুরি ইত্যাদি ইত্যাদি! বুঝলাম!! শুধু আমরাই সৌদি
মাদ্খালী সঠিক দল! আর বাকি সব জাহান্নামী!! বুঝলাম!! তাহলে সৌদি বাদে আর
কোনো দেশেতো রাজতন্ত্র নেই! রাজতন্ত্রের বদলে আমরা যদি অন্য মুসলিম দেশে
খিলাফাহ আনতে চাই, তাহলে কি আনতে পারবো? না না যাবেনা! ওরা সব খারিজী,
সন্ত্রাসী!! বুঝলাম!! তাহলে কি আমরা ওই সব সেকুলার, মুনাফিক , মুশরিক ,
কুফ্ফারদের আন্ডারে থাকবো? ওরা ইসলামের অবমাননা করবে, আল্লাহকে, আল্লাহর
রাসুলকে ( স:) গালি দিবে, পাখির মত গুলি করে মানুষ মারবে!! অসুবিদা নেই!
আমাদের গ্রুপ সৌদি মাদ্খালী ইন্দাস্ত্রিয়াল গ্রুপে যোগ দিন!! শুধু তাওহীদের
দাওয়াত দিন! যখন সব লোক তাওহিদ বুঝতে পারবে তখন অতমিতিক ইসলাম আসবে!!
বুঝলাম!! খিলাফাহ আসবে না রাজতন্ত্র আসবে?? খিলাফাহ আসবে!! তাহলে সৌদিতে কি
তাওহীদের দাওয়াত কমপ্লিট না আরো বাকি আছে?? না!! ওটা তাওহীদের দেশ! ওখানে
কোনো শিরক বিদাত হয়না!! বুজলাম!! তাহলে রাজার বদলা এখন খিলাফাহ নাই কেন??
কারণ ওখানে ইসলাম আছে!! বুঝছি!! তোমরা আসলেই সৌদির গৃহপালিত চতুসপদ জন্তু!!
যতদিন তোমাদের ওইসব ভন্ড রাজারা এবং তোমাদের ভন্ড উলামারা থাকবে ততদিন
পর্যন্ত ইসলামের তেরটা বাজতে থাকবে!!
আর বেশিদিন নয়!! একটু অপেক্ষা কর!! খুব শীঘ্রই আল্লাহর আজাব তোমাদের উপর অবতীর্ণ হতে যাচ্ছে!!!
আর বেশিদিন নয়!! একটু অপেক্ষা কর!! খুব শীঘ্রই আল্লাহর আজাব তোমাদের উপর অবতীর্ণ হতে যাচ্ছে!!!
" এক গভমেন্ট আমাকে
পদচ্যুত করল , আরেক গভমেন্ট আমাকে চাকরিচ্যুত করল ।। " -- কথাগুলো মেজর
জেনারেল ( অব.) ফজলুর রহমান একুশের রাত নামক আজকের টকশোতে দেয়া ।।
যিনি কিনা ২০০১ বিডিআর এর মহাপরিচালক ছিলেন ।। গতবার আওয়ামীলীগ ক্ষমতা
থাকাকালে বিএসএফ ২০০১ এ রৌমারি সীমান্তে হামলা করলে উপরের রাজনৈতিক
নির্দেশের অপেক্ষা না করে তিনি নিজ দায়িত্বে বিডিআরকে অ্যাকশানে যেতে
নির্দেশ দেন ।। ফলাফল হয় সরকারিভাবে
প্রকাশিত হিসেবে ৩৪ বিএসএফ মারা যায় , পরবর্তীতে ওনার ভাষ্যমতে বাস্তবে
বিএসএফ মারা যাবার সংখ্যাটা ছিল ২২৬ ।। অ্পরদিকে বিডিআরের প্রান হারান
মাত্র ২ জন ।। অথচ আওয়ামি সরকার ওনাকে বিডিআর প্রধান হতে পদচ্যুত করে এবং
পরবর্তীতে বিএনপি ক্ষমতায়
এসে ওনাকে চাকরিচ্যুত করে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়ে দেয় ।। এই হল হাসিনা- খালেদার আসল রূপ যারা কেবল মুদ্রার এপিঠ - ওপিঠ মাত্র ।।
" ভারত , পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মুসলিমদের বিশাল সংখ্যা এবং এর সাথে যুক্ত হওয়া পাকিস্তানে তালেবান মুজাহিদ্গনের উথান , খোদ ইণ্ডীয়ায় মুজাহিদ্গন এবং মাওবাদিদের উভয়ের উথান এবং বাংলাদেশে হেফাজত ইসলাম এর মত ইসলামিষ্টদের উথান ভারতকে আ্তংকগ্রস্থ করে তুলছে ভবিষ্যতে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা নিয়ে এবং ভারত নিজেদের এই অস্তিত্ব রক্ষার আতংকই সীমান্তে ভারতের কাটাতারের বেড়া নির্মাণের বহিঃপ্রকাশ ।।" --- এই কথাগুলোও আজকেই মেজর জেনারেল (অব )
ফজলুর রহমানেরই একুশের রাত নামক টক শোতে বলা ।।
এসে ওনাকে চাকরিচ্যুত করে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়ে দেয় ।। এই হল হাসিনা- খালেদার আসল রূপ যারা কেবল মুদ্রার এপিঠ - ওপিঠ মাত্র ।।
" ভারত , পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মুসলিমদের বিশাল সংখ্যা এবং এর সাথে যুক্ত হওয়া পাকিস্তানে তালেবান মুজাহিদ্গনের উথান , খোদ ইণ্ডীয়ায় মুজাহিদ্গন এবং মাওবাদিদের উভয়ের উথান এবং বাংলাদেশে হেফাজত ইসলাম এর মত ইসলামিষ্টদের উথান ভারতকে আ্তংকগ্রস্থ করে তুলছে ভবিষ্যতে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা নিয়ে এবং ভারত নিজেদের এই অস্তিত্ব রক্ষার আতংকই সীমান্তে ভারতের কাটাতারের বেড়া নির্মাণের বহিঃপ্রকাশ ।।" --- এই কথাগুলোও আজকেই মেজর জেনারেল (অব )
ফজলুর রহমানেরই একুশের রাত নামক টক শোতে বলা ।।
ভোট দেও কাফির হও !!
আপনি নিশ্চই বিশ্বাস করেন "ইসলাম একটি সম্পূর্ণ জীবন বেবস্তা" আর হয়ত আপনার এইটাও জানা আছেযে আল্লাহর দেওয়া এই জীবন বেবস্তায় আইন কানুন ও আছে, আর ইসলাম ছাড়া যত জীবন বেবস্তা আছে বা যত আইন কানুন আছে সব বাতিল ৷ কারণ আল্লাহ কোরআনে বলেছেন "আল্লাহই শুধু আইন/বিধান দেওয়ার মালিক"..(১২:৪০)
গণতন্ত্র ও একটা জীবন বেবস্তা এবং গণতন্ত্রে মানুষ আইন বানায় আর যারা আইন বানায় ওরা যেন আল্লাহর সাথে কম্পিটিশন করলো বা নিজেকে ইলাহ দাবি করলো ও শিরিক করলো আর যারা ওই বেক্তিকে ভোট দিয়ে এই শিরিক করার ক্ষমতা দিল ওরাও শিরিক করলো.....আর যারা ভোট দেয়নি কিন্তু এমপি মন্ত্রীরা যখন আইন বানায় আর আল্লাহ যা বৈধ করে দিয়েছেন তা অবৈধ করে আর আল্লাহ যা অবৈধ করে দিয়েছেনতা বৈধ করে তা ওরা মেনে নেয় হাদিস মুতাবিক ওরাও শিরিক করলো !! যেহেতু এই বিষয়টি সবার জানা নাই তাই আমি কিন্তু সবাইকে কাফির বলছিনা যারা জেনে শুনে কুফুর শিরিক করে ওদের বলছি !!
তাই ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকুন !!
আর যদি বুঝার পরেও না বুঝার ভান করেন তাহলে ভুলবেননা আল্লাহ আপনার মনের খবর জানেন !!
অনেককেই দেখলাম ভোট দেওয়ার জন্য আহবান করছেন তাই এই বিষয়ে একটা ছুট পোস্ট করলাম..
আগামীতে আমি এই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত দলিল দিয়ে লেখব ইনশাল্লাহ !!
আপনি নিশ্চই বিশ্বাস করেন "ইসলাম একটি সম্পূর্ণ জীবন বেবস্তা" আর হয়ত আপনার এইটাও জানা আছেযে আল্লাহর দেওয়া এই জীবন বেবস্তায় আইন কানুন ও আছে, আর ইসলাম ছাড়া যত জীবন বেবস্তা আছে বা যত আইন কানুন আছে সব বাতিল ৷ কারণ আল্লাহ কোরআনে বলেছেন "আল্লাহই শুধু আইন/বিধান দেওয়ার মালিক"..(১২:৪০)
গণতন্ত্র ও একটা জীবন বেবস্তা এবং গণতন্ত্রে মানুষ আইন বানায় আর যারা আইন বানায় ওরা যেন আল্লাহর সাথে কম্পিটিশন করলো বা নিজেকে ইলাহ দাবি করলো ও শিরিক করলো আর যারা ওই বেক্তিকে ভোট দিয়ে এই শিরিক করার ক্ষমতা দিল ওরাও শিরিক করলো.....আর যারা ভোট দেয়নি কিন্তু এমপি মন্ত্রীরা যখন আইন বানায় আর আল্লাহ যা বৈধ করে দিয়েছেন তা অবৈধ করে আর আল্লাহ যা অবৈধ করে দিয়েছেনতা বৈধ করে তা ওরা মেনে নেয় হাদিস মুতাবিক ওরাও শিরিক করলো !! যেহেতু এই বিষয়টি সবার জানা নাই তাই আমি কিন্তু সবাইকে কাফির বলছিনা যারা জেনে শুনে কুফুর শিরিক করে ওদের বলছি !!
তাই ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকুন !!
আর যদি বুঝার পরেও না বুঝার ভান করেন তাহলে ভুলবেননা আল্লাহ আপনার মনের খবর জানেন !!
অনেককেই দেখলাম ভোট দেওয়ার জন্য আহবান করছেন তাই এই বিষয়ে একটা ছুট পোস্ট করলাম..
আগামীতে আমি এই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত দলিল দিয়ে লেখব ইনশাল্লাহ !!
গণতন্ত্র নামক কুফরী মতবাদকে না বলি...
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আপনা গণতন্ত্রিক নামক কুফরী মতবাদ স্বীকৃত কোন দলের গোলামী করলে যে কোন ভুল ক্ষমা পেয়ে যাবেন অতিসহজে।কিন্তু ইসলাম মেনে নিজেকে মুসলিম পরিচয় দিয়ে কোন অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে সত্য বললেও আপনার কোন রেহায় নেই।
কারণ, এখানে ঐসব শোষকদের মুখোশ উন্মোচন হয়ে যায়। যারা দিনে রাতে বিলাসিতায় নিজেদের মাতিয়ে রাখছে আমাদের টাকা দিয়ে তা থেমে যাবে।
কিন্তু কথা হল এই গণতন্ত্র কাদেরকে নিয়?
অবশ্যই আমারদেশের দাবিকৃত ৯০ ভাগ মুসলিম নেয়ে (!)
তাহলে আমরা জেনে শুনেই এইসব অন্যায়কারীদের সমর্থন করছি?
যা সম্পূর্ণ ইসলাম পরিপন্হী (!!)
স্বীকৃত কোন দলের গোলামী করলে যে কোন ভুল ক্ষমা পেয়ে যাবেন অতিসহজে।কিন্তু ইসলাম মেনে নিজেকে মুসলিম পরিচয় দিয়ে কোন অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে সত্য বললেও আপনার কোন রেহায় নেই।
আচ্ছা ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী হয়ে ইসলামের খেদমত (!), ইসলামের হেফাজত কিংবা ইসলাম রক্ষা করলে কি ধর্মনিরপেক্ষতা অক্ষুন্ন থাকে ?
"যারা কুফরির পথে চলেছে, আল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের মাল ও সন্তানাদি কোনো কাজে আসবে না। তারা দোযখের লাকড়ি হয়েই থাকবে।"
___ সূরা আলে ইমরান : ১০
খিলাফাহ এবং জিহাদের শব্দগত উচ্চারন কিংবা বর্ণগত লিখনিও কুফর শক্তি এবং এদের দোসর জালে্মদের এবং পুঁজিবাদী মিডিয়াকে আতংক লাগিয়ে দেয় ......... ।।
অতঃপর উহারা জঙ্গি জঙ্গি জঙ্গি বলিয়া আতংকে চেঁচায় ...... !!!!
অথচ একদল বোকার পাল বলে
কি হবে এগুলা বলে ...... !!
কি হবে এইপথে গিয়ে ......... !!
আসুন গণতন্ত্রকে না বলি,
ইসলামকে আকড়ে ধরি।
এই বৃদ্ধ জামায়াত কর্মীকে বিজয়নগর থেকে আটক করে পুলিশ


