নতুন গবেষণা: পশ্চিমা গণতন্ত্র ব্যর্থ !
সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে ধনী-গরীব, প্রভাবশালী ও সাধারন মানুষের মধ্যে পশ্চিমাদের গনতন্ত্রের এই বৈষম্য মূলক নীতি।
১. একটি সংগঠিত ইন্টারেস্ট গ্রুপ বা অর্থনৈতিক অভিজাতরা যখন বিশেষ কোনো নীতি সংসদে পাস করাতে চান তখন তাদের সফল হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকে।
২.কিন্তু বিষয়টি যদি সাধারণ নাগরিকের দাবি হয়, এতে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিকের সমর্থন থাকেও তবে সরকার ও নীতি নির্ধারকরা খুব একটা কেয়ার করেন না।
সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে ধনী-গরীব, প্রভাবশালী ও সাধারন মানুষের মধ্যে পশ্চিমাদের গনতন্ত্রের এই বৈষম্য মূলক নীতি।
১. একটি সংগঠিত ইন্টারেস্ট গ্রুপ বা অর্থনৈতিক অভিজাতরা যখন বিশেষ কোনো নীতি সংসদে পাস করাতে চান তখন তাদের সফল হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকে।
২.কিন্তু বিষয়টি যদি সাধারণ নাগরিকের দাবি হয়, এতে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিকের সমর্থন থাকেও তবে সরকার ও নীতি নির্ধারকরা খুব একটা কেয়ার করেন না।
৩.অর্থাৎ ভোটে নির্বাচিত ক্ষমতাসীনদের ওপর ভোটারদের কোনো প্রভাব নেই বললেই চলে।
৪.সরকারের নীতি নির্ধারণে সাধারণ নাগরিকদের কোনো প্রভাব নেই বললেই চলে। বিপরীতপক্ষে নীতি নির্ধারণে বিত্তশালীদের প্রভাব খুবই দৃঢ়, অত্যন্ত অর্থপূর্ণ এবং স্বাধীন।
৫.কানেকটিকাট ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণায় দেখানো হয়েছে, মার্কিন সিনেট ধনীদের স্বার্থ রক্ষার নীতিতেই বেশি সাড়া দেয়। গরীব বা মধ্যবিত্তদের জন্য সিনেটের খুব একটা মাথাব্যথা নেই।
৬.যে গণতন্ত্র নির্দিষ্ট সময় অন্তর একটি সাধারণ নির্বাচন সর্বস্ব হয়ে পড়ছে। এবং পশ্চিমারা তা তৃতীয় বিশ্ব ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পাচার করার চেষ্টা করছে বা কখনো চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে।
৪.সরকারের নীতি নির্ধারণে সাধারণ নাগরিকদের কোনো প্রভাব নেই বললেই চলে। বিপরীতপক্ষে নীতি নির্ধারণে বিত্তশালীদের প্রভাব খুবই দৃঢ়, অত্যন্ত অর্থপূর্ণ এবং স্বাধীন।
৫.কানেকটিকাট ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণায় দেখানো হয়েছে, মার্কিন সিনেট ধনীদের স্বার্থ রক্ষার নীতিতেই বেশি সাড়া দেয়। গরীব বা মধ্যবিত্তদের জন্য সিনেটের খুব একটা মাথাব্যথা নেই।
৬.যে গণতন্ত্র নির্দিষ্ট সময় অন্তর একটি সাধারণ নির্বাচন সর্বস্ব হয়ে পড়ছে। এবং পশ্চিমারা তা তৃতীয় বিশ্ব ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পাচার করার চেষ্টা করছে বা কখনো চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন